বিজ্ঞান
মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, সিনিয়র শিক্ষক
দুলালপুর এস.এম.এন্ড কে. উচ্চ বিদ্যালয়
কুমিল্লা
প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা, আজকে তোমাদের পাঠ্যবইয়ের প্রথম অধ্যায় প্রাণিজগতের শ্রেণিবিন্যাস এর সৃজনশীল প্রশ্নগুলোর উত্তর করতে যে বিষয়গুলো জানা থাকা প্রয়োজন তা তুলে ধরা হলো।
আর্থ্রোপোডা ও অসটিকথিস পর্বের প্রাণীদের মধ্যে পার্থক্য
আর্থ্রোপোডা পর্বের প্রাণীদের অর্থনৈতিক গুরম্নত
আর্থ্রোপোডা
অসটিকথিস
১.দেহ বিভিন্ন অঞ্চলে বিভক্ত ও সন্ধিযুক্ত উপাঙ্গ বিদ্যমান। এরা স্থলে ও সমুদ্রে বাস করে।
২. নরম দেহ শক্ত কাইটিন সমৃদ্ধ শক্ত আবরণী দ্বারা আবৃত।
৩. অনেক প্রজাতির প্রাণী ডানার সাহায্যে উড়তে পারে।
১. এদের অধিকাংশই স্বাদু পানিতে বাস করে।
২. দেহ সাইক্লোয়েয়েড ও টিনয়েড উভয় ধরনের আঁঁইশ দ্বারা আবৃত।
৩. ফুলকার সাহায্যে শ্বাসকার্য চালায়।
আর্থ্রোপোডা পর্বে বিভিন্ন ধরনের কীটপতঙ্গ রয়েছে যেমন- চিংড়ি, মৌমাছি, প্রজাপতি ইত্যাদি অর্থনৈতিক গুরুত্ব সম্পন্ন প্রাণী।
চিংড়ি একটা সুস্বাদু আমিষ জাতীয় খাদ্য। চিংড়ি চাষের মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়ন করা যায়। চিংড়ি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে অংশ নেয়। মিঠা পানিতে তুলনামূলক কম খরচে চিংড়ি চাষ করে প্রচুর লাভবান হওয়া যায়।চিংড়ির পরিত্যাক্ত অংশ হাঁস, মুরগী ও মাছের খাদ্য হিসেবে ব্যবহূত হয়। মৌমাছি ও প্রজাপতি ফুলে ফুলে ঘুরে বেড়ানোর সময় ফসল উত্পাদনের জন্য পরাগায়ন ঘটায়। মৌমাছি ফুল থেকে মধু সংগ্রহ করে। মধু অত্যন্ত পুষ্টিকর ও ভেষজ গুণ সম্পন্ন।আর্থ্রোপোডা পবের্র বিভিন্ন পতঙ্গ ও এদের লার্ভা খাদ্য শৃংখলে ভূমিকা রাখে।
সুতরাং দেখা যাচ্ছে যে আর্থ্রোপোডা পবের্র প্রাণীরা আমিষের অভাব পূরণে, কর্মসংস্থানে, অর্থনৈতিকভাবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
