ই-লাইব্রেরি

আপডেট : ১৯ অক্টোবর ২০২১, ২২:০৬

লাইব্রেরি, যা তথ্য ভাণ্ডার ও জ্ঞানচর্চার সর্বোত্তম জায়গা। জ্ঞানচর্চা ছাড়া এখানে সাহিত্য, ধর্ম, ইতিহাসচর্চাও করা যায়। যুগের বদৌলতে লাইব্রেরি হয়েছে সমৃদ্ধ ও দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য অংশ। বর্তমান পাঠাগারে দুরকমের বই—সফট কপি যা পিডিএফ আকারে ফোন অথবা ট্যাবে পড়া যায় অন্যটি হলো হার্ড কপি যেটা ছাপানো বই। ই-লাইব্রেরি হলো অনলাইনে বই পড়ার মাধ্যম। বিভিন্ন অনলাইন পেজে ফ্রি অথবা টাকার বিনিময়ে বই পড়া যায়। ইন্টারনেটের মাধ্যমে খুব সহজেই দেশি-বিদেশি লেখকের বই পড়া যায় যা সহজলব্ধ হওয়ায় বর্তমান সময়ে খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। অন্যদিকে লাইব্রেরিগুলোতে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার বই বাদেও জনপ্রিয় লেখকদের বই, পত্রিকা, অভিধানসহ নানা বিষয়ের বই রয়েছে। কিন্তু সব বই পাঠাগারে সংরক্ষণ করা যেমন কষ্টসাধ্য, তেমনি ব্যয়বহুল। তাছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থীর চাহিদা অনুযায়ী লাইব্রেরিগুলোতে বই সংগৃহীত থাকে না, যার ফলে ই-লাইব্রেরির ওপর বেশি নির্ভরশীল শিক্ষার্থীরা। বিজ্ঞানচর্চা ও মানবজাতির উন্নয়নে ই-লাইব্রেরির অবস্থান শীর্ষে। তাই প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজস্ব ই-লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠা ও তার যথাযথ সংরক্ষণই পারে শিক্ষাব্যবস্থায়  জ্ঞানচর্চার প্রসার ঘটাতে।

মো. রায়হান আবিদ

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ