হাবিপ্রবি’র ভর্তি কার্যক্রমে অনিয়মের অভিযোগ

আপডেট : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২১:৩৫

 

 ভর্তি কার্যক্রম

বন্ধ

gদিনাজপুর অফিস

দিনাজপুর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (হাবিপ্রবি)’র অনার্স প্রথম বর্ষের ভর্তি কার্যক্রমে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে জানা গেছে, ভর্তির অপেক্ষমাণ তালিকার মেধাক্রম অনুযায়ী ভর্তিচ্ছুদের ভর্তি প্রদান করা হয়নি। এই ঘটনার সুষ্ঠু ব্যবস্থা গ্রহণ না করা পর্যন্ত ভর্তি কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে হাবিপ্রবি ছাত্রলীগের একটি গ্রুপ। ভর্তি কার্যক্রমে মেধাক্রম অনুযায়ী ভর্তি প্রদান না করার ব্যাপারে অভিযোগ দিয়েছে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা। এ ব্যাপারে প্রশাসন জানিয়েছে, বিষয়ভিত্তিক পছন্দক্রম ফরম পূরণ না করায় ভর্তির সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছে শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বরাবরে দাখিল করা জি ইউনিটের অপেক্ষমাণ ১১তম মেধাতালিকায় থাকা শারমিন আকতার মিতুর অভিযোগ থেকে জানা যায়, জি ইউনিট (৩য় শিফট) ভর্তি পরীক্ষায় রোল ৭২০১০৭ অপেক্ষমাণ তালিকায় ১১তম হন তিনি। সে অনুযায়ী গত ১১ ফেব্রুয়ারি রিপোর্ট করেন। কিন্তু গত মঙ্গলবার দুপুরে এসে দেখতে পান তাকে বাদ দিয়ে পরের অপেক্ষমাণ তালিকায় ১২তম ভর্তির সুযোগ পেয়েছে। এটিকে অনভিপ্রেত ও অনিয়ম করা হয়েছে জানিয়ে তিনি মেধাক্রম অনুযায়ী ভর্তি প্রদানের সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ জানান। একই অভিযোগ করেন এফ ইউনিট (শিফট-১)’র ১০০তম অপেক্ষমাণ তালিকায় থাকা শিক্ষার্থী রিদওয়ানুল হক (ভর্তি পরীক্ষার রোল নং-৬০১৩৯৮)। শুধু এই ২ শিক্ষার্থীই নয়, এই ধরনের  অনেক শিক্ষার্থীই অপেক্ষমাণ মেধা তালিকায় থেকেও ভর্তির সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

শিক্ষার্থী রিদওয়ানুল হক জানান, অপেক্ষমাণ মেধাক্রম তালিকায় থাকার পরেও এবং রিপোর্ট করার পরেও তাকে বাদ দিয়ে ১০৩ অপেক্ষমাণ মেধাক্রম তালিকায় থাকা শিক্ষার্থীকে নেওয়া হয়েছে। এতে তার প্রতি অন্যায় ও অনিয়ম করা হয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে তাকে মেধাক্রম অনুযায়ী ভর্তির সুযোগ চান তিনি।

অনিয়মের শিকার হওয়া আরেক শিক্ষার্থী শারমিন আকতার মিতু জানান, রিপোর্ট করার পরও তাকে ভর্তির সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। এটি যেভাবেই হোক অপেক্ষমাণ তালিকায় মেধাক্রম অনুযায়ী তাকে ভর্তির সুযোগ দেওয়া হোক এমনটিই প্রত্যাশা করেন তিনি।

ভর্তি পরীক্ষা কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর ড. মোস্তাফিজার রহমান জানান, প্রায় আটজন শিক্ষার্থী এমন অভিযোগ করেছে। কিন্তু তারা বিষয়ভিত্তিক পছন্দক্রম ফরম পূরণ করেনি। তাই তারা ভর্তির সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. সফিউল আলম জানান, যারা পছন্দের বিষয় পূরণ করেনি তারা বাদ পড়েছে। বিগত দিনগুলোতে যেভাবে ভর্তি কার্যক্রম হয়েছে এবারও তাই হয়েছে। কিন্তু এই অভিযোগে কিছু গোষ্ঠী ভর্তির কার্যক্রম আপাতত বন্ধ করেছে।