হাতীবান্ধায় বন্যায় ব্যাপক ক্ষয় ক্ষতি 

আপডেট : ২২ অক্টোবর ২০২১, ১৭:২৩

তিস্তা নদীর পানি বর্তমানে বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় বন্যায় ব্যাপক ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে। গত মঙ্গলবার রাত থেকে তিস্তার পানি বাড়তে থাকায় তীরবর্তী নিম্ন অঞ্চলে বন্যা দেখা দেয়। পানি বন্দি হয়ে পড়ে মানুষজন। তলিয়ে যায় ঘর, বাড়ি, রাস্তা ঘাট, ফসলী জমি। 

জানা গেছে, গত বুধবার (২০ অক্টোবর ) সকাল ১১ টায় তিস্তা ব্যারেজ ডালিয়া পয়েন্টে পানিপ্রবাহ রেকর্ড করা হয় ৫৩ দশমিক ৩০ সেন্টিমিটার। যা বিপদসীমার ৭০ সেন্টিমিটার উপরে (স্বাভাবিক ৫২ দশমিক ৬০ সেন্টিমিটার) ছিল। তবে রাত থেকে পানি কমতে থাকে। এ বিষয়ে ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী আসফাউ দৌলা বলেন, বর্তমানে তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে হাতীবান্ধা কৃষি কর্মকর্তা ওমর ফারুক বলেন, ১৪০০ হেক্টর জমির ফসল বন্যার কারণে নষ্ট হয়ে গেছে। মৎস্য কর্মকর্তা আলতাফ হোসেন বলেন, বন্যায় ৫৫টি পুকুর ও খামারের মাছ চলে গেছে। প্রায় ২৭ লক্ষ টাকার মাছ বন্যার কারণে পুকুর থেকে বের হয়ে গেছে। উপজেলা প্রকৌশলী নজির হোসেন বলেন, বন্যার কারণে কয়েকটি রাস্তার ব্যাপক ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে। তার মধ্যে ৩টি চলমান কাজের ইটের খোয়া বন্যার পানিতে চলে গেছে এবং প্রায় ১৭কোটি ৩১ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে স্থানীয় ঠিকাদার মোস্তাফিজার রহমান সবুজ বলেন, সিংগীমারী হইতে গড্ডিমারী বর্ডার রোড -৩৭৫মিটার, সানিয়াজান নিজশেখ সুন্দর রোড-১৫০মিটার, ডাউয়াবারী ঘাটের রোড -১৫০মিটার, মোট-৬৭৫মিটার রাস্তার ডব্লুপিএম কাজ করা ছিল এবং কার্পেটিং কাজের জন্য প্রস্তুত ছিল তা বন্যার কারণে নষ্ট হয়ে গেছে।

ইত্তেফাক/ইআ