মেহেন্দিগঞ্জের স্কুলে নৈশপ্রহরী ও আয়া নিয়োগে গড়িমসি!

আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০২১, ২২:১১

বরিশাল অফিস ও মেহেন্দিগঞ্জ সংবাদদাতা

বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার বিদ্যানন্দপুর এম এম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নৈশপ্রহরী ও আয়া পদে নির্বাচিতদের নিয়োগপত্র প্রদান না করার অভিযোগ পাওয়া গেছে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির বিরুদ্ধে।

চলতি বছর ১৬ সেপ্টেম্বর নৈশপ্রহরী ও আয়া পদে নিয়োগের জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেয় বিদ্যানন্দপুর এম এম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। ঐ বিজ্ঞপ্তি দেখে নৈশপ্রহরী পদে ছয় জন ও আয়া পদে পাঁচ জন আবেদন করেন। আবেদনকৃতদের চলতি বছর ১০ অক্টোবর বরিশালে শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নির্বাচনী পরীক্ষা ও সাক্ষাত্কার অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে নৈশপ্রহরী পদে শাহাবুদ্দিন ও আয়া পদে রেখা বেগম প্রথম স্থান অধিকার করে। কিন্তু তাদের নিয়োগ অনুমোদন এবং নিয়োগপত্র প্রদান করেনি ম্যানেজিং কমিটি। অভিযোগ উঠেছে, ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি কাজী আনসার হোসেনের স্নেহভাজন আ. রহমানকে নৈশপ্রহরী ও শাফিয়া বেগমকে আয়া পদে নিয়োগ না দিলে তিনি নিয়োগপত্র প্রদান করবেন না। এছাড়া এই দুজনকে নিয়োগের জন্য মোটা অঙ্কের টাকা গ্রহণের অভিযোগও আছে সভাপতির বিরুদ্ধে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যানন্দপুর এম এম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জয়নাল আবেদীন বলেন, সভাপতি কাজী আনসার হোসেনের নিয়োগের বিষয়ে একটু মনোমালিন্যের ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টা দুই/এক দিনের মধ্যে আমি সমাধান করে দেব। যদি সমাধান না করতে পারি তখন পুরো বিষয়ের বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ সাক্ষাত্কার দেব।

বিদ্যানন্দপুর এম এম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি কাজী আনসার হোসেন তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, লিখিত পরীক্ষা সঠিকভাবে হয়নি তাই আমি মৌখিক পরীক্ষার সময় উপস্থিত সবাইকে বলে চলে আসি।

প্রতিষ্ঠাতা দাতা সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আ. জব্বার খান বলেন, স্কুলটি বিদ্যানন্দপুর গ্রামের মানুষের আবেগের জায়গা। আমি চাই না এ স্কুলে কোনো অনিয়ম হোক। নিয়োগ পরীক্ষায় যারা প্রথম স্থান অধিকার করেছে তাদেরকেই নিয়োগ দেওয়া উচিত। কিন্তু সভাপতি কেন গড়িমসি করছে সেটা আমরা বুঝতে পারছি না। আশাকরি দ্রুত এ নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার তপন কুমার দাস বলেন, পরীক্ষা সম্পন্ন হলেও সভাপতি স্বাক্ষর না করায় নিয়োগ অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে।