আশরাফ-উজ-জামান খান, কেশবপুর (যশোর) সংবাদদাতা
যশোরের কেশবপুরে পূর্বাঞ্চলের তিন উপজেলার সীমান্তবর্তী বিশাল এলাকা জুড়ে অবস্থিত বিলখুকশিয়া। এ বিলে রয়েছে ১৩ শতাধিক মাছের ঘের। ঘেরপাড়ে উত্পাদিত হয় বিপুল পরিমাণ সবজি। কিন্তু এই মাছ ও সবজি পরিবহনে মানুষের দুর্ভোগের অন্ত নেই। এই বিলের মাঝ দিয়ে একটি মাটির রাস্তা দুই ভাগে ভাগ হয়ে কপালিয়া ও শোলগাথিয়া এলাকায় গিয়ে মিশেছে। মাটির মাত্র সাড়ে ৯ কিলোমিটার সড়কটি সংস্কারের অভাবে বিলে প্রায় ধসে গেছে। এই সড়কটি পাকা করা হলে মাছ ও সবজি পরিবহনের সমস্যা কেটে যেত। কিন্তু এ নিয়ে কোনো উদ্যোগ নেই।
এ বিষয়ে তথ্য সংগ্রহের সময় জানা যায়, বিলের চারপাশে শোলগাথিয়া, চোহড়া, ভায়না, বরুনা, ময়নাপুর, আড়ুয়া, সানতলা, কানাইডাঙ্গাসহ ৩০/৩৫ গ্রামের মানুষ বিলের মাঝ দিয়ে যাওয়া মাটির রাস্তাটি ব্যবহার করেন। উপজেলার কাঁকবাধাল ডহুরী মোড় থেকে ভায়না বিল ও খুকশিয়া বিলের মাঝ দিয়ে মাটির রাস্তাটি দক্ষিণ দিকে শোলগাথিয়া ও পূর্ব দিকে ডায়ের খালের স্লুইস গেটের ওপর দিয়ে অভয়নগরের কপালিয়া বাজারে গিয়ে মিশেছে। এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে রাস্তাটি ২০০ বছরের পুরোনো। দীর্ঘদিনেও সংস্কার না হওয়ায় তা ঘেরে ধসে নষ্ট হয়ে এখন ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এখন ঐ সড়ক দিয়ে তিন বা চার চাকার কোনো গাড়ি চলতে পারে না। ফলে স্থানীয়দের দীর্ঘদিন ধরে বাধ্য হয়ে পায়ে হেঁটে অথবা নৌকায় চলতে গিয়ে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সড়কটি পাকাকরণের দাবি এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের।
স্থানীয় চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ বলেন, বিলে মাছ ও ব্যাপক সবজির আবাদ হয়। রাস্তা না থাকার কারণে মাছের ঘের ও কৃষি কাজের সঙ্গে জড়িত কৃষক ও শ্রমিক তাদের উত্পাদিত মাছ এবং সবজি পণ্য আনানেওয়ায় সমস্যার সন্মুখীন হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম এম আরাফাত হোসেন বলেন, কৃষকের স্বার্থে দ্রুত রাস্তাটি সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
