‘বিশ্ব ভালোবাসা দিবস’ আজ। ‘হাত বাড়িয়ে ছুঁই না তোকে/মন বাড়িয়ে ছুঁই’-এর মতো মনে মন রেখে হূদয়ের উষ্ণতা অনুধাবন করার দিন। রূপ-যৌবন-তারুণ্য এগুলো ক্ষণিকের, সময়ে বিবর্ণ হয়ে যায়। কিন্তু বিশ্বাস, ভালোবাসা হচ্ছে সম্পর্কের শেকড়, চির সবুজ। এগুলোর কোনো ধ্বংস নেই। ক্ষয় নেই। তাই যুগে যুগে প্রেম অমর হয়ে আছে।
বিশ্ব ভালোবাসা দিবসকে ঘিরে ফুলের দোকান এবং উপহার সামগ্রীর দোকানে ভিড় বেড়েছে তরুণ-তরুণীদের। প্রিয় মানুষকে ভালোবাসার অনুভূতির কথাটি জানাতে অনেকেই পছন্দের উপহার, প্রিয় জনের পছন্দের ফুল কিনতে ব্যস্ত। ভালোবাসা দিবসকে ঘিরে বিনোদন কেন্দ্রগুলোর পাশাপাশি প্রতি বছর রেস্টুরেন্টগুলোতেও ভিড় লক্ষ্য করা যায়। এ বছরও ভালোবাসা দিবসকে কেন্দ্র করে রেস্টুরেন্টগুলো প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
পশ্চিমা এই উত্সবটি বাংলাদেশে প্রচলন শুরু হয় ১৯৯৩ সাল থেকে। এ দিবস ঘিরে যতগুলো কল্প-গল্প প্রচলিত আছে তার সবগুলোই ‘সেন্ট ভ্যালেন্টাইন’কে ঘিরে। রোমান সম্রাট দ্বিতীয় ক্লডিয়াস-এর সময়ে সেন্ট ভ্যালেনটাইনকে কারারুদ্ধ করে প্রাণদণ্ড ঘোষণা করা হয়েছিল। মৃত্যুর আগে সেন্ট ভ্যালেন্টাইন জেলে বসে প্রেমাসক্ত যুবক-যুবতীদের প্রণয়-মন্ত্রে দীক্ষা দিত বলেও শ্রুতি রয়েছে। আবার কোথাও বলা হচ্ছে- জেলারের অন্ধ কন্যার সঙ্গে তার প্রণয় হয়ে গিয়েছিল। মৃত্যুর আগে প্রেয়সীকে লিখেছিলেন তিনি ‘ফ্রম ইউর ভ্যালেন্টাইন।’ ভালোবাসা অনেক প্রকার আছে। সন্তানকে ভালোবাসা, বাবা-মাকে ভালোবাসা, পরিবারকে ভালোবাসা ইত্যাদি।
