আনন্দ বিনোদন প্রতিবেদক
জনপ্রিয় অভিনেত্রী মৌটুসী বিশ্বাস। উপস্থাপনা দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু হয়েছিল তার। নিয়মিত না হলেও মাঝে মাঝে সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। এবার তিনি আসছেন ভিন্নধারার এক অনুষ্ঠান নিয়ে। মৌটুসীকে দেখা যাবে ‘বানান মানে স্পেলিং’ অনুষ্ঠানের সঞ্চালক হিসেবে। দুরন্ত টেলিভিশনে আগামী ৫ নভেম্বর থেকে প্রতি শুক্রবার ও শনিবার দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে ও রাতে ৮টা ৩০ মিনিটে অনুষ্ঠানটি প্রচার হবে।
মৌটুসী এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘বানান মানে স্পেলিং’ সঞ্চালনা করে আনন্দ পেয়েছি। কাজটি চ্যালেঞ্জিং ছিল। বেশ কয়েকটি গ্রুমিং সেশন করেছি। মূল অনুষ্ঠানের শুটিং করার আগে মক শুট ও ড্রাই শুট করেছি। অনেকগুলো ডিভাইস নিয়ে শুটিং করেছি।’
জানা গেছে, মনিরুল ইসলাম শিপনের পরিচালনায় ‘বানান মানে স্পেলিং’ অনুষ্ঠানে পঞ্চম ও ষষ্ঠ শ্রেণির শিশুরা অংশগ্রহণ করেছে। সারাদেশ থেকে তাদের বাছাই করে প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠানটি নির্মাণ করা হয়েছে। ২৭ পর্বের এ অনুষ্ঠান প্রসঙ্গে মৌটুসী আরও বলেন, ‘বানান মানে স্পেলিং’র শুটিং করেছি বিশাল আয়োজনে। এখানে বানানের পাশাপাশি মজার অনেক খেলা আছে। অনুষ্ঠানটি যারা দেখবে তাদের ভালো লাগবে। বানান থেকে আমরা দূরে সরে এসেছি। তাই এ ধরনের প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠান এ সময়ে প্রয়োজন ছিল।’
‘বানান মানে স্পেলিং’র শুটিং হয়েছে বিএফডিসির নয় নম্বর ফ্লোরে। বিশাল সেট বানিয়ে করা শুটিং নিয়ে মৌটুসী বেশ সন্তুষ্ট। তিনি বলেন, ‘শুটিংয়ে গেলে অপরিচ্ছন্নতার জন্য কাজ করতে ইচ্ছে হয় না। দুরন্ত টেলিভিশন কর্তৃপক্ষ তাদের সেটের পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করার ব্যাপারে সচেষ্ট ছিলেন। টিম ওয়ার্কও দারুণ ছিল। আমার বিশ্বাস শিশুদের পাশাপাশি বড়রাও এ অনুষ্ঠান দেখে মজা পাবেন।’
মৌটুসী একুশে টেলিভিশনে ২০০০ সালের দিকে ট্র্যাভেল শো ‘অ্যাডভেঞ্চার বাংলাদেশ’ সঞ্চালনা করেন। অতিমারির আগে তাকে দেখা যায় রান্না বিষয়ক অনুষ্ঠান উপস্থাপনায়। এরপর ওভার দ্য টপ (ওটিটি) প্লাটফর্মের জন্য মাত্র দুটি স্বল্পদৈর্ঘ্যে অভিনয় করেন তিনি। বিঞ্জে মুক্তি পাওয়া আবু শাহেদ ইমনের ‘আড়াই মন স্বপ্ন’-তে অভিনয় করে প্রশংসা কুড়ান তিনি। এরপর বায়োস্কোপে প্রচার হয় সামির আহমেদের ‘স্পটলাইট’। এতেও স্পটলাইটে ছিলেন মৌটুসী।
অভিনয়ের ব্যাপারে এখন ‘চুজি’ হয়ে উঠেছেন এ অভিনেত্রী। মানসম্পন্ন গল্প না হলে করছেন না। অতিমারির সময়ে নিজের ভাবনার জগতে এনেছেন পরিবর্তন। বিভিন্ন কাজে বাড়াচ্ছেন নিজের দক্ষতা। তার ভাষ্যে, অতিমারিতে শারীরিক পরিশ্রম কম হলেও মানসিক পরিশ্রম করেছি। প্রচুর পড়েছি। সাইকেল চালানো শিখেছি। গিটার বাজাতে পারতাম না। এখন পারি। সৈয়দ জামিল আহমেদ স্যারের অভিনয়ের কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেছি। সামনে মেয়েসহ সাঁতার শেখার ইচ্ছে আছে।
