শেভের নিয়ম

আপডেট : ২৯ অক্টোবর ২০২১, ২০:৩১

 

তরুণ বয়স থেকেই শেভ করার শুরু। শেভ করার শুরুর দিকে অনেকেই ভুল করে থাকেন। সঠিক যত্নের অভাবে শেভ করার পর তাদের মুখে নানা সমস্যা দেখা দেয়। অথচ, একটু সচেতন হলেই ত্বক হয়ে উঠবে সজীব ও সুন্দর। আর আপনি নানা চর্মরোগ থেকেও মুক্তি পেতে পারেন।  পরিপূর্ণ শেভ এবং সেইসঙ্গে একটু যত্ন—এতে আপনার ত্বক হয়ে উঠতে পারে সুন্দর। আপনাদের জানা আছে নিশ্চয়ই, নিয়মিত শেভে ত্বক থাকে পরিচ্ছন্ন। আর শেভ না করলে ত্বকের লোমকূপ দিয়ে খুব সহজে ঘাম ও অন্যান্য জলীয়কণা বেরিয়ে আসতে পারে না। ফলে, দেখা যায় সাদা রঙের পিম্পলস, ফলে পরিণামে হতে পারে ব্রন। এই নিয়ে এবার কিছু পরামর্শ।

ত্বক পরিষ্কার করুন নিয়মিত

শেভের আগে ত্বকের পরিচ্ছন্নতা বড় বিষয়। পুরুষের ত্বক খানিকটা তৈলাক্ত থাকে। বড় বড় গর্ত থাকে এবং প্রচুর ঘাম বের হয়। এর ফলেই অপরিচ্ছন্ন হয়ে পড়ে ত্বক। এ জন্যই প্রয়োজন হয় ত্বক পরিচ্ছন্ন রাখা। শেভের আগে এবং পরে একটু যত্ন নিলেই অনেক সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া সম্ভব। প্রতিদিন দুবার ত্বক পরিষ্কার করা দরকার। সকালে ঘুম থেকে উঠে এবং রাতে ঘুমাতে যাবার আগে ত্বক পরিষ্কার করা দরকার। সকালবেলায় ত্বকের ধরন বুঝে ভালোমানের ফেসওয়াশ ব্যবহার করা উচিত। এ সময় যদি কেউ স্ক্র্যাব ব্যবহার করতে চান, তো করতে পারেন। তবে যাই ব্যবহার করুন, তাতে যেন ক্ষারের পরিমাণ কম থাকে। আপনি এ জন্য বেছে নিতে পারেন ডাভ, নেভিয়া, ক্লিন অ্যান্ড ক্লিয়ার এবং নিউট্রোজেনা সাবানকে। এর ফলে ত্বকের লোমকূপগুলো খুলে গিয়ে ভেতরের ময়লা খুব সহজেই বেরিয়ে পড়ে এবং ত্বকের ব্রন, ফুসকুুঁড়িসহ যেকোনো ধরনের দাগ বা বাড়ন্ত লোমকূপও দূর হয়। এর ফলে ত্বক হয় সজীব।

নিয়মমতো শেভ করুন

শেভের ফলে ত্বক হয় শুষ্ক ও টানটান। শেভের আগে পারলে মুখ হালকা গরম পানিতে ধুয়ে নিন। তাহলে ত্বক নরম হবে এবং শেভ করতে সুবিধা হবে। শেভের সময় বাঁচাতে ব্যবহার করতে পারেন নিজের ত্বকের ধরন উপযোগী শেভিংক্রিম জেল বা ফোম এবং একটি ভালো মানের রেজর। কেননা, মুখের যে অংশটুকু আপনি শেভ করবেন, তা অতি কোমল এবং স্পর্শকাতর অঙ্গ। রেজরের ধার যত ভালো হবে, শেভ তত ভালো হবে। শেভের সময় রেজর সবসময় নিচের দিকে টেনে শেভ করতে হবে। কখনোই রেজর উল্টোদিকে টেনে শেভ করবেন না। এতে দাড়ির গোড়া ফেটে গিয়ে ফোঁড়া হওয়ার আশঙ্কা থাকে। উল্টোদিকে টেনে শেভ করলে দাড়ি ভালো পরিষ্কার হয়; কিন্তু এটি ত্বকের জন্য ভীষণ ক্ষতিকর। যাদের ত্বক শুষ্ক, তারা অ্যালকোহল বা লেবু-মেশানো শেভিং ক্রিম বা লোশন কখনোই ব্যবহার করবেন না। শেভের পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এরপর আফটার শেভ লোশন ক্রিম লাগাতে পারেন। মুখে এন্টিসেপটিক ক্রিম বা লোশন দিয়ে মালিশ করতে পারেন। এতে নানা চর্মরোগ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।