সাইফ নবাব পরিবারের সন্তান। কিন্তু নবাব পরিবারের সন্তান হলেও সবকিছু জন্মসূত্রে পাননি তিনি। এমনকি পাতৌদি প্রাসাদটিও জন্মসূত্রে পাননি তিনি। বেশ মোটা অঙ্কের টাকা খরচা করে তাকে এই সম্পত্তি পুনরুদ্ধার করতে হয়েছে।

আসলে পাতৌদি প্রাসাদের সম্পত্তি শুরু থেকেই বিতর্কিত। পাতৌদি পরিবারের ভোপালের বেশিরভাগ সম্পত্তি ‘এনিমি প্রপার্টি একট’ এর আওতায় রয়েছে। যার ফলে দীর্ঘদিন ধরেই এই সম্পত্তি নিয়ে বিতর্ক চলে আসছে। ভোপালের নবাব ছিলেন হামিদুল্লাহ খান, তিনি তার সম্পত্তি বড় মেয়ে আবিদার নাম করে দিয়েছিলেন। কিন্তু আবিদা পাকিস্তানে চলে গিয়েছিলেন, তাই মেজ কন্যা সাজিদা এই সম্পত্তির দখল নিয়ে নেন। আর সাজিদারই নাতি হলেন সাইফ আলী খান।

সাজিদা পাতৌদির নবাব ইফতিখাঁর আলীর সাথে বিয়ে করেছিলেন। বিয়ের পর সাজিদার এক ছেলে ও দুই মেয়ে হয়। ছেলের নাম মানসুর আলী খান পাতৌদি ও মেয়েদের নাম ছিল সালেহা সুলতান ও সাবিহা সুলতান। দুই মেয়ে বিয়ে হয়ে চলে যাবার পর, মনসুর আলী খান সমস্ত সম্পত্তির মালিক হন আর মানসুর আলী খানের পুত্র হলেন সাইফ আলী খান। সেই হিসাব অনুযায়ী সমস্ত সম্পত্তির উত্তরাধিকারী সাইফ আলী খানই হন।
২০১৫ সালের ফ্রেবুয়ারী মাসে কেন্দ্রীয় সরকারের আদেশ অনুযায়ী, নবাব হামিদুল্লাহর মেজ কন্যা সাজিদা নন আবিদকেই উত্তরাধিকারী ঘোষণা করা হয় যিনি পাকিস্তান চলে গিয়েছিলেন। সেই হিসাবে বর্তমানে শত্রূ সম্পত্তি আইন অনুযায়ী এই সম্পত্তিতে ভারতীয় মালিকানা আর নেই। আর তাই সাইফ আলী খানের সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হতে পারবে না তৈমুর আলী খান বা সাইফের অন্যান্য সন্তানরা।
ইত্তেফাক/এফএস
