বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ষষ্ঠ আসরে তিন স্পিনারের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন আম্পায়াররা। বোলিং অ্যাকশন প্রশ্নবিদ্ধ হওয়া তিনজনই অফস্পিনার। ঢাকা ডায়নামাইটসের হয়ে খেলা আলিস ইসলাম, রংপুর রাইডার্সের নাহিদুল ইসলাম ও কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের সঞ্জিত সাহার বোলিং অ্যাকশন নিয়ে রিপোর্ট করেছেন আম্পায়াররা।
যার প্রেক্ষিতেই তাদের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে কাজ করবে বিসিবির বোলিং অ্যাকশন রিভিউ কমিটি। তিন অফস্পিনারকেই পরীক্ষা দিতে হবে বোলিং অ্যাকশনের। আগামী সপ্তাহেই পরীক্ষা হতে পারে। গতকাল বিসিবির বোলিং অ্যাকশন রিভিউ কমিটির সদস্য নাসির আহমেদ নাসু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মিরপুর স্টেডিয়ামে সাংবাদিকদের তিনি বলেছেন, ‘ওরা আমাদের অ্যাসেসমেন্টে আসবে। আগামী সপ্তাহে পরীক্ষা নিব। এর চার পাঁচ দিন পরেই জানাবো, কার অ্যাকশনের কী অবস্থা। কারো অ্যাকশন ত্রুটিপূর্ণ ধরা পড়লে তাদেরকে আমরা পুনর্বাসনের মধ্যে নিয়ে আসবো।’
ঢাকার জার্সিতে এবার হইচই ফেলেছিলেন আলিস ইসলাম। বিপিএল অভিষেকেই হ্যাটট্রিক করেছিলেন এই তরুণ রংপুর রাইডার্সের বিরুদ্ধে। দ্বিতীয় বিভাগ ক্রিকেট থেকে ঢাকার নেটে বোলিং করে দলে সুযোগ পেয়েছেন আলিস। অভিষেকেই প্রশ্নবিদ্ধ হয় তার বোলিং অ্যাকশন। তারপর আরো তিনটি ম্যাচ খেলেছেন তিনি। গত ১৮ জানুয়ারি সিলেটে বোলিং করতে গিয়ে পায়ে চোট পান আলিস। যার কারণে ২৫ জানুয়ারি তার বোলিং অ্যাকশন পরীক্ষা দিতে পারেননি।
নাহিদুল ইসলাম গত আসরের মতো এবারও রংপুর রাইডার্সের একাদশে প্রায় নিয়মিতই খেলেছেন। অতীতে তার বোলিং অ্যাকশন প্রশ্ন উঠেনি। তবে এবার আম্পায়ররা সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। কুমিল্লার হয়ে সঞ্জিত সাহা তিনটি ম্যাচ খেলেছেন। এই অফস্পিনার ২০১৬ সালে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপেও রিপোর্টেড হয়েছিলেন। তারপরও ঘরোয়া ক্রিকেটে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছিল তার বোলিং অ্যাকশন। সম্প্রতি অ্যাকশনে বেশ পরিবর্তন এনেছেন। কিন্তু আবারও রিপোর্টেড হলো সঞ্জিত সাহার বোলিং অ্যাকশন।
