প্রস্তুতি ম্যাচের প্রথম দিনে বাংলাদেশের স্পিনারদের বেশ ভালোই সামাল দিয়েছেন ক্যারিবিয়ানরা। বিকাল ৪টা ৩৪ মিনিটে আলোর স্বল্পতার জন্য আম্পায়াররা যখন দিনের ইতি টানেন তখন স্কোরবোর্ডে অতিথিদের সংগ্রহ ৩০০ ছাড়িয়ে গেছে। বাংলাদেশের স্পিনটা দীর্ঘক্ষণ খেলার সুযোগ পেল অতিথিরা। এই অনুশীলন ম্যাচে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড একাদশে থাকা টেস্ট দলের ওপেনার সৌম্য সরকার বলছেন, মূল ম্যাচে স্পিনাররা আরও ভালো করারই কথা।
সৌম্য মনে করেন, উপমহাদেশের কন্ডিশনে মানিয়ে নিতে পারাতেই ভালো ব্যাটিং করেছে ক্যারিবীয়রা, ‘বাংলাদেশে আসার আগে দীর্ঘদিন ভারতে খেলে এসেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সেখানে তারা বলতে গেলে স্পিনের মধ্যেই ছিল। তাই তাদের প্রস্তুতিও ভালো। কিন্তু তার মানে এই নয় যে, আমাদের বোলাররা খারাপ কিছু করেছে। তারা ‘জায়গামত’ ভাল বলই করেছে। তবে ওদের ব্যাটসম্যানরা এটা ভাল মতো সামাল দিয়েছেন।’
সতীর্থ বোলারদের একটুও খাটো না করে সৌম্য বলেন, ‘আমার কাছে মনে হয়- যারা বল করেছে তারা অনেক ভাল মানের বোলার। আর চাপে থাকলে তারা আরো বেশি ভাল বল করবেন বলে আশা করি। মনে হয় যে, নির্দিষ্ট স্থানে বল করতে পারলে ওরা (ওয়েস্ট ইন্ডিজ) এত সময় টিকে থাকতে পারবে না।’
জাতীয় লিগে ভাল রান পেলেও দীর্ঘদিন টেস্টের আঙ্গিনা থেকে দূরে ছিলেন সৌম্য। আগামী বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া চট্টগ্রাম টেস্টে লিটন দাস না থাকাতে হয়ত তাকে ইনিংস ওপেন করতে দেখা যেতে পারে। সেক্ষেত্রে আপনার প্রস্তুতিটা কেমন, জানতে চাইলে সৌম্য সরকার বলেন, ‘কালকে (আজ সোমবার) ব্যাটিং আছে। আর অনেকদিন পর সুযোগ পেয়েছি। চেষ্টা করব ভাল কিছু করার। ওপরেই হোক অথবা যেখানেই ব্যাটিং করি চেষ্টা করব উইকেটে বেশি সময় দেওয়ার।’
সাকিব দলে ফেরায় সামগ্রিকভাবে দলের আত্মবিশ্বাসের জায়গাটা অনেক পোক্ত হবে বলে মনে করেন সৌম্য। বলেন, ‘সাকিব ভাই অবশ্যই টিমের জন্য অনেক বড় একটা পার্ট। উনি থাকলে টিমের তিনটা সাইডই থাকে। বাংলাদেশ টিম সর্বশেষ ম্যাচে ভালই খেলেছে। তবে সাকিব ভাই ফিরে আসায় আস্থাটা আরো বাড়লো।’
আগামী টেস্টে নিজের জন্য আলাদাভাবে কোনো পরিকল্পনা নেই উল্লেখ করে সৌম্য বলেন, ‘নিজের জন্য আলাদাভাবে কোনো পরিকল্পনা নেই। এটা করতে গেলে হয়তবা নিজের ওপর চাপটা বেড়ে যাবে। আগেই বলেছি, সুযোগ পেলে চেষ্টা করব উইকেটে বেশি সময় টিকে থাকার। প্রথমদিকে যদি সারভাইব করতে পারি তাহলে ইনিংসটা বড় করার চেষ্টা করব।’
