বইমেলা যদি এখনকার মতো এভাবে না হয়ে অন্যকোনো ভাবে হতো, তাহলে কী রকম হতো সেই বইমেলা, সেটা এবার দেখে নেওয়া যাক—
স্টার এনার্জি বাল্ব বিক্রির মতো নিয়মে হলে :
এক্ষেত্রে সকল প্রকাশকেরা ইজিবাইক ভাড়া করে এনার্জি বাল্ব বিক্রি করার মতো করে বই বিক্রি করত। তখন বিক্রেতারা এভাবে প্রচার করত যে, ‘শুধুমাত্র প্রকাশক ও লেখকের প্রচারের জন্য ৩০০ টাকার এই বই পাচ্ছেন মাত্র ১০০ টাকায়।’
বাসের হেলপারের টিকিট বিক্রির নিয়মে হলে :এক্ষেত্রে বিক্রেতারা স্টলের সামনে দাঁড়িয়ে হেলপারের মতো চেঁচিয়ে বলত যে, ‘আমাদের বই কিনলে আগে পড়ে শেষ করতে পারবেন। খুব কম পাতার বই। স্টুডেন্টদের জন্য হাফ পাস আছে।’ গাড়ির হেলপার যাত্রী নেওয়ার জন্য জোর করে যাত্রী তুলে বলে যে, ‘আগে বাসে উঠে ভিতরে চাপেন এবং যেখানে যাবেন, নাইমে যায়েন।’ ঠিক সেরকমভাবে বইমেলার ক্ষেত্রে বিক্রেতারা বলতে পারে যে, ‘আগে বই কিনেন, পরে যা টাকা লাগে দিয়েন।’
ফুটপাতে জিনিসপত্র বিক্রির মতো হলে :এক্ষেত্রে বই বিক্রেতারা হকারদের মতো চেঁচিয়ে বলত যে, ‘বাইছা লন। যা নিবেন, সব আশি। আশি, আশি আশি। রবীন্দ্র, নজরুল, শরত্চন্দ্র যা নিবেন বাইছা লন, মাত্র আশি।’
