অনেক স্বপ্ন ছিল বিদেশে গিয়ে পিতা-মাতা, ভাই-বোনের মুখে হাসি ফুটাবে। পরিবারের লোকজন কিছুটা স্বাচ্ছন্দে দিনাতিপাত করবে। কিন্তু সে স্বপ্ন আর পূরণ হলো না বন্দরের জিওধরা এলাকার মকবুল দেওয়ানের ছেলে রনির (১৯)। গত ১৩ ফেব্রুয়ারি কাতারের দোহায় তিনি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন।
রনি নিহত হওয়ার সংবাদে তার বাড়িতে বইছে শোকের মাতম। পিতা-মাতা বিশ্বাসই করতে পারছে না তাদের ছেলে আর নেই। তারা বারবার কান্নায় ভেঙ্গে পড়ছেন আর বলছেন ‘আমার বাবা ফিরে আসবে।’ শনিবার রনির বাড়িতে গিয়ে এমনই চিত্র দেখা যায়।
জানা গেছে, বন্দরের জিওধরা এলাকার মকবুল দেওয়ানের ছেলে রনি ৩মাস পূর্বে চাকরি নিয়ে কাতারের দোহায় ফাস্ট এগ্রিকালচার কোম্পনিতে যান। গত ১৩ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় দোহার সড়কে গাছের সোন্দর্য বর্ধণের কাজ করার সময় বেপরোয়া গতির একটি গাড়ি তাকে চাপা দিলে তিনি ঘটনাস্থলে নিহত হন।
আরও পড়ুনঃ চরফ্যাসনে কোচিং সেন্টারে ভ্রাম্যমান আদালতের তালা,৭ শিক্ষক দণ্ডিত
কাতার পুলিশ লাশ উদ্ধার করে সরকারি হাসপাতালের হিমঘরে রেখেছে এবং লাশ দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। তবে কবে নাগাত লাশ দেশে আসবে তা কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারেনি।
ইত্তেফাক/নূহু

