সরকারি হাসপাতালে অভিযোগ বাক্স স্থাপন করা হোক

আপডেট : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২১:৫৭

শরীয়তপুর সদর সরকারি হাসপাতালে রোগী সমস্যার কথা বলতে শুরু করলে ডাক্তার প্রেসক্রিপশন লেখা শুরু করে দেন; আমার সমস্যার কথা যথাযথভাবে বলার আগেই তাঁর প্রেসক্রিপশন লেখা শেষ। সেই প্রেসক্রিপশন হাতে নিয়ে দেখতে পাই সেখানে কিছু পরীক্ষার কথা লেখা হয়েছে। ডাক্তারের রুম থেকে বের হওয়ার পরে দরজায় দাঁড়ানো ডাক্তারের সহযোগী আবার ব্যস্ত হয়ে পড়েন নির্দিষ্ট কোনো ক্লিনিকে ডাক্তারের দেওয়া পরীক্ষাগুলো করতে নিয়ে যাবার জন্য। রোগীদের সঙ্গে কথোপকথন, কাউন্সিলিং বা রোগীকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান—এর কোনোটাই সরকারি হাসপাতালের ডাক্তারদের মাঝে খুব একটা দেখতে পাওয়া যায় না; বরং অনেক সময় এরকমও হয় যে রোগী তার রোগের বিষয়ে ডাক্তারের কাছে জানতে চাইবার পরে ডাক্তার বেশ বিরক্তি প্রকাশ করেন। কিন্তু সেই একই ডাক্তার যখন প্রাইভেট ক্লিনিকে রোগী দেখেন তখন তাঁদের যথেষ্ট বিনয়ী এবং বন্ধুসুলভ দেখা যায়। তাঁদের আচরণগত এই সমস্যা সরকারি হাসপাতালে দায়িত্ব পালনের সময়েই শুধু দেখা যায়। তাই সুনির্দিষ্ট মহলের প্রতি বিশেষ আবেদন— সরকারি হাসপাতালে ডাক্তারদের আচরণ নিয়ন্ত্রণের নিয়মাবলি তৈরি করা হোক এবং প্রতিটা হাসপাতালে অভিযোগ বাক্স স্থাপন করা হোক যেখানে হাসপাতালের যে কোনো কর্মচারী-কর্মকর্তা, ডাক্তার বা নার্সের আচরণে সেবাগ্রহিতারা অসন্তুষ্ট হলে লিখে যাতে অভিযোগ জানাতে পারেন। এবং সপ্তাহ শেষে ঐ হাসপাতালের সঙ্গে যুক্ত নন এমন কোনো ব্যক্তিকে দিয়ে অভিযোগ বাক্স খুলিয়ে অভিযোগ গ্রহণ এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার ব্যবস্থা করা হোক।

মোহম্মদ বায়েজিদ

শিক্ষার্থী, জেড এইচ শিকদার বিজ্ঞান ও

প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, শরীয়তপুর