ভালোবাসা দিবসে এশীয়দের ব্যয় বাড়ছে কমাচ্ছে মার্কিনীরা

আপডেট : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২২:২৫

ভালোবাসায় আগের তুলনায় বেশি ব্যয় করছে এশীয়রা। বিশ্ব ভালোবাসা দিবসকে কেন্দ্র করে এক জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে। এতে দেখা যায়, বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে এশিয়ান দেশগুলোতে ব্যয়ের হার ২০১৬ সালের তুলনায় ৩৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। আর দিবসটিতে সামগ্রিক লেনদেন বেড়েছে ৩৭ শতাংশ। যেখানে যুক্তরাষ্ট্রে বিশেষ এই দিনটিতে ব্যয়ের হার শতকরা ৮ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।

এশীয়দের মধ্যে ভালোবাসা দিবসে ব্যয়ের শীর্ষে রয়েছে চীন (৮৮ শতাংশ)। জাপান ও হংকংয়ের এই হার ৬৮ ও ৬২ শতাংশ। জরিপটি করেছে মাস্টারকার্ড। জরিপে ২০১৬ সাল হতে ২০১৯ সালের ১১-১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ক্রেডিট, ডেবিট এবং প্রিপেইড কার্ড ট্রান্স্যাকশনে মোট লেনদেনকৃত অর্থের পরিমাণকে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। ভালোবাসা দিবসের ব্যয় হিসেবে রেস্টুরেন্ট, হোটেল, যাতায়াত, বই, অলঙ্কার এবং স্টেশনারি সামগ্রী ক্রয়ে লেনদেনকৃত অর্থকে বোঝানো হয়েছে।

জরিপে বলা হয়, শতকরা ২৯ ভাগ এশিয়ান ১৪ ফেব্রুয়ারি ভালোবাসা দিবসের কেনাকাটা করেন। অন্যদিকে, ৪০% চীনা নাগরিক ১২ ফেব্রুয়ারি উপহার কেনার পর্বটি সেরে ফেলেন। ভালোবাসা দিবসে ৮৬% এশিয়ান অনলাইন কেনাকাটার চেয়ে সরাসরি  কেনায় বেশি আগ্রহী। ২০১৮ সালে এশিয়ানরা ভালোবাসা দিবসে রেস্টুরেন্টে তাদের মোট ব্যয়ের ৬৮% খরচ করেছেন। বিগত বছরগুলোতে রেস্টুরেন্টে ব্যয়ের হার শতকরা ৪১ ভাগ বৃদ্ধি পেয়েছে। রেস্টুরেন্টে ব্যয় বৃদ্ধিতে শীর্ষ দেশ ভারত। দেশটিতে ভালোবাসা দিবসে রেস্টুরেন্টে ব্যয় বিগত ৩ বছরে ৫৪% বেড়েছে।

দিনটিতে এশিয়ান দেশগুলোতে হোটেল ব্যয় বিগত বছরগুলোতে বৃদ্ধি পেয়েছে। মাস্টারকার্ড লাভ ইনডেক্স জরিপে দেখা যাচ্ছে যে, হোটেল আবাসন সংক্রান্ত ব্যয় শতকরা ২৭ ভাগ বেড়েছে। যেখানে চীন ও ভারতে ভালোবাসা দিবসে হোটেল আবাসন ব্যয় যথাক্রমে ১৪২% ও ৭৩% বৃদ্ধি পেয়েছে। এর পাশাপাশি যাতায়াত ও ভ্রমণ ব্যয়ও বৃদ্ধি পেয়েছে। ফিলিপাইনে ২০১৮ সালে এ সংক্রান্ত ব্যয় ১৬৪% পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। অপরদিকে, অস্ট্রেলিয়াতে ভালোবাসা দিবসে যাতায়াত ও ভ্রমণ ব্যয় ৬৬% হ্রাস পেয়েছে। সমগ্র এশিয়া জুড়ে ভালোবাসা দিবসে ফুল, জুয়েলারি, মূল্যবান প্রসাধনী ও স্যুভেনির ইত্যাদি কেনায় ব্যয় বৃদ্ধি প্রমাণ করে যে, দিবসটিকে এশিয়ানরা আপন করে নিয়েছে। দেখা যাচ্ছে যে ফুল কেনাকাটায় ব্যয় বেড়েছে ৮৯% এবং অলঙ্কারে ৩২%।