মানবতার দেয়াল যখন নিছক প্রচারণা

আপডেট : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০১:১৫

কিশোরগঞ্জ জেলার মকসুদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষক তানজিনা নাজনীনের পরিকল্পনায় গড়ে ওঠে দেশের প্রথম ‘মহানুভবতার দেয়াল’। পরে প্রযুক্তি ও গণমাধ্যমের কল্যাণে দ্রুত তা সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে। ‘মহানুভবতার দেয়াল’ পরিবর্তন করে ‘মানবতার দেয়াল’ লিখে অনেকেই জনসেবামূলক ব্যতিক্রম এই কাজটি শুরু করেন। আমাদের অনেকেরই কিছু পোশাক থাকে যা বছরখানেক কিংবা কয়েক মাস ব্যবহারের পর আর আমরা ব্যবহার করি না? পরিত্যক্ত কিন্তু ভালো পোশাকগুলো অন্য কেউ যার প্রয়োজন সে ব্যবহার করতে পারে তার জন্য এই মানবতার দেয়াল। কিন্তু বর্তমানে কিছু কিছু জায়গায় এটাকে এমনভাবে তৈরি করা হচ্ছে যে তা লোকদেখানো ছাড়া আর কিছুই না। এমন এমন পোশাক ঝোলানো থাকে যা কি না পরিত্যক্তের থেকেও পরিত্যক্ত।  যেসব পোশাক পরার উপযোগী না সেসব পোশাক ঝোলানো থাকে। এটাকে লোকদেখানো কাজ ছাড়া আর কী বলা যাবে? যে জিনিসটার উদ্দেশ্য মানুষের সেবা সেটা ব্যবহার করা হচ্ছে প্রচারণার মাধ্যম হিসেবে! কিছু কিছু সংস্থা অবশ্য ভালোভাবেই কাজ করছে এবং এ থেকে মানুষ উপকৃতও হচ্ছে। আসলে মানবসেবা একটা যোগ্যতা এবং ভাগ্য যা কি না সবার থাকে না।

মো. সফিকুল আহসান ইমন

ছাত্র, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ