এবার চূড়ান্ত লাইসেন্স পেল কিশোরগঞ্জ ইকোনমিক জোন লিমিটেড। গতকাল বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ লাইসেন্স দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সমন্বয়ক (এসডিজি) মো. আবুল কালাম আজাদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত সচিব) মো. ফারুক হোসেন, নিটল-নিলয় গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ইন্দো-বাংলা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রেসিডেন্ট আব্দুল মাতলুব আহমাদ, নিটল-নিলয় গ্রুপের ভাইস-চেয়ারপারসন সেলিমা আহমাদ এমপি, কিশোরগঞ্জ ইকোনমিক জোনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল মুসাব্বির আহমাদ এবং টাটা মটরস লিমিটেডের কান্ট্রি ম্যানেজার জিতেন্দ্র বাহাদুর। লাইসেন্স প্রদান অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান (সচিব) পবন চৌধুরী।
কিশোরগঞ্জ ইকোনমিক জোন নিটল-নিলয় গ্রুপের একটি উদ্যোগ। এটি কিশোরগঞ্জ জেলার, পাকুন্দিয়া উপজেলায় ভৈরব-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কের দুই পাশে ৯১ দশমিক ৬৩ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠিত। এ জোনে ভারতের গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টাটা মটরস লিমিটেড বাংলাদেশের নিটল-নিলয় গ্রুপের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে টাটা ব্র্যান্ডের মোটরযান তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে। ভারতের আরও একটি স্টিল প্রস্তুকারী কোম্পানি এখানে বিনিয়োগের লক্ষ্যে প্রকল্প সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ শুরু করেছে। এ ছাড়াও এই জোনে দেশি-বিদেশি এগ্রোবেইজড ফুড এন্ড বেভারেজ, গার্মেন্টস ও টেক্সটাইল, তথ্য-প্রযুক্তি ও টেলি-যোগাযোগ প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগে আগ্রহ দেখিয়েছে। জোনটি সম্পূর্ণরূপে বাণিজ্যিক উত্পাদন শুরু করলে ৫ বছরের মধ্যে প্রায় ৫ হাজার লোকের প্রত্যক্ষ এবং ২০ হাজার লোকের পরোক্ষ কর্মসংস্থান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
