বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও উত্পাদনকারী প্রতিষ্ঠানের ভ্যাট ফাঁকি উদ্ঘাটনে মাঠ পর্যায়ের অফিসগুলো এখন প্রতিষ্ঠানে আকস্মিক হানা দিয়ে নথিপত্র জব্দ করছে। ওইসব নথিপত্র অডিট করে বড় অঙ্কের ফাঁকিও বের হচ্ছে বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, সম্প্রতি ঢাকা পশ্চিম ভ্যাট কমিশনারেটের আওতাধীন একাধিক টিম সাভার, আশুলিয়া, মিরপুরসহ কয়েকটি এলাকায় অভিযান চালিয়েছে। এসব অভিযানে কিছু প্রতিষ্ঠানের বড় অঙ্কের ভ্যাট ফাঁকির সন্ধানও মিলেছে। গতকাল অডিটদল ওই দুটি প্রতিষ্ঠানে অডিটের প্রতিবেদন দাখিল করার পর এ তথ্য জানা গেছে।
প্রতিবেদনে দেখা যায়, সানজি তাদের স্টিল পাইপ তৈরির কাঁচামাল চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস দিয়ে আমদানি করলেও তা ভ্যাটের ক্রয় রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করেনি। এতে প্রকৃত উত্পাদন গোপন করার অভিযোগ আনা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। অন্যদিকে প্রতিষ্ঠানটি নিজস্ব ভ্যাটযোগ্য খরচের উপর উেস ভ্যাট কর্তন করেনি। ২০১৫ সাল থেকে শুরু করে ২০১৮ সাল পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির নথিপত্র পর্যালোচনা করে এ অনিয়ম বের হয়। এতে প্রায় ১ কোটি ৫৯ লাখ টাকার ভ্যাট ফাঁকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অন্যদিকে প্রতীক সিরামিকসের ২০১২ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত ব্যবসায়িক কার্যক্রমের অডিটে প্রায় ১৩ লাখ টাকার ভ্যাট ফাঁকি পাওয়া গেছে। সবমিলিয়ে ১ কোটি ৭২ লাখ টাকার ভ্যাট ফাঁকি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা পশ্চিম ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনার ড. মইনুল খান। ইত্তেফাককে তিনি বলেন, অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া আরো প্রতিষ্ঠানেও এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।
