কাশ্মিরে বন্দুকযুদ্ধে পুলওয়ামা হামলার মূল পরিকল্পনাকারীসহ দুই জঙ্গি নিহত হয়েছে। একইসঙ্গে প্রাণ গেছে চার ভারতীয় সেনা ও এক পুলিশ সদস্যের। গতকাল সোমবার জঙ্গিদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর ১২ ঘন্টা ধরে বন্দুকযুদ্ধ হয়। গতকাল প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেছেন, পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনার দিন শেষ। এখন ব্যবস্থা নেওয়ার সময়। এদিকে ভারতে নিযুক্ত হাইকমিশনারকে ডেকে পাঠিয়েছে পাকিস্তান। খবর এনডিটিভি ও টাইমস অব ইন্ডিয়ার।
ভারতের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, সোমবার ভোররাত ১টা নাগাদ পুলওয়ামা জেলার পিঙ্গলান গ্রামের একটি বাড়িতে কয়েকজন জঙ্গির আত্মগোপন করে থাকার খবর গোপন সূত্রে পেয়ে অভিযান চালায় ৫৫ রাষ্ট্রীয় রাইফেলস, সিআরপিএফ এবং রাজ্য পুলিশের এসওজি। জঙ্গিরাও পাল্টা গুলি চালায়। ১২ ঘন্টা ধরে চলা সংঘর্ষে নিহত হন ৫৫ রাষ্ট্রীয় রাইফেলস’র মেজর ভিএস ঢোন্ডিয়াল, হাবিলদার শেওরাম, সিপাহি অজয় কুমার এবং হরি সিং। আহত চার জওয়ান এক বেসামরিক নাগরিককে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাড়িটি সম্পূর্ণ গুঁড়িয়ে দিয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছে একটি একে৪৭ রাইফেল, একটি পিস্তল এবং গোলাবারুদ।
ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র কর্ণেল রাজেশ জানিয়েছেন, নিহত দুই জঙ্গির মধ্যে একজন পাকিস্তান ভিত্তিক নিষিদ্ধ জঙ্গি গোষ্ঠী জয়শ-ই-মোহাম্মদের (জেইএম) শীর্ষ কমান্ডার। সূত্র জানিয়েছে, বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে পুলওয়ামা হামলার মূল পরিকল্পনাকারী কামরান ওরফে আব্দুল রশিদ গাজী। তার সহযোগীও নিহত হয়েছে। পাকিস্তানের নাগরিক কামরান আইইডি বিশেষজ্ঞ জঙ্গি। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কামরানকে কয়েক বছর ধরে খোঁজা হচ্ছে। কিন্তু সে গ্রামে গ্রামে ঘুরে বেড়িয়েছে জঙ্গি কাজে যুবকদের উদ্ধুব্ধ করতে। ফলে তাকে ধরা সম্ভব হয়নি।
