অর্থমন্ত্রী আহম মুস্তাফা কামাল বলেছেন, খেলাপি ঋণ ব্যাংকের বড় সমস্যা। ঋণগুলো কীভাবে খেলাপি হলো তা যাচাই করতে শিগগিরই বিশেষ অডিটের ব্যবস্থা করা হবে। এদিকে, নতুন ব্যাংক অনুমোদন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রয়োজনীয়তা দেখছে বলেই হয়ত অনুমোদন দিয়েছে।
সোমবার ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকের আগে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে নতুন ব্যাংক ও খেলাপি ঋণ নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, আশির দশক থেকেই খেলাপি ঋণের সংস্কৃতি চালু হয়ে আছে। আর খেলাপি ঋণের পরিমাণ যত বেশি হয়, ব্যাংক সুদের হার তত বেড়ে যায়। আমানত ও ঋণের সুদ হারের পার্থক্যও বাড়ে। এগুলো কমানোর জন্যই খেলাপি ঋণের সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে। ঋণ কেন খেলাপি হলো তা খতিয়ে দেখতে হবে। সেজন্যই বিশেষ অডিটের ব্যবস্থা করছি। অডিটের পর বিস্তারিত জানাব।
নতুন ব্যাংক অনুমোদনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রয়োজন মনে করছে বলেই নতুন ব্যাংকের অনুমোদন দিয়েছে। সেবার মান ঠিক থাকলে ব্যাংকের সংখ্যায় সমস্যা নেই। অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে কয়টা ব্যাংক আছে এটা বড় ব্যাপার না। ব্যাংকগুলো স্বাভাবিকভাবে, নিয়মনীতি মেনে চলে কিনা সেটাই বড় বিষয়। কাস্টমারদের যদি সার্ভিস দিতে পারে এবং নিয়মের মাঝে দিতে পারে, অনিয়মের মাঝে না, তাহলে ইন দ্যাট কেইস নম্বর নিয়ে আমি চিন্তিত না।
প্রসঙ্গত, রবিবার বাংলাদেশ ব্যাংক বেঙ্গল, পিপলস ও সিটিজেন নামের নতুন তিনটি ব্যাংকের অনুমোদন দিয়েছে। এর আগে ২০১২ সালে ১২টি ব্যাংকের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। এখন দেশে ব্যাংকের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬২ তে।
