ভারতের রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে টেগোর অ্যাওয়ার্ড নিলেন সন্জীদা খাতুন

আপডেট : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২২:৪৮

ছায়ানটকে ‘টেগোর অ্যাওয়ার্ড ফর কালচারাল হারমোনি’ সম্মাননা তুলে দিয়েছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি রাম নাথ কোবিন্দ। গতকাল সোমবার সকালে নয়াদিল্লির প্রবাসী ভারতীয় কেন্দ্রে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অন্যান্য বিশিষ্টজনের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী ও টেগোর অ্যাওয়ার্ড জুরি বোর্ডের প্রধান নরেন্দ্র মোদী এবং সংস্কৃতি মন্ত্রী ড. মহেশ শর্মা।

সংস্কৃতি অঙ্গনে অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৫ সালের সম্মাননার জন্য নির্বাচিত হয় বাংলাদেশের সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠান ছায়ানট। এই প্রথম দেশের বাইরের এবং এই প্রথম কোনো প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনকে এই পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত করল ভারত সরকার। সম্মাননা গ্রহণ করে ছায়ানট সভাপতি সন্?জীদা খাতুন তাঁর ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। ভাষণ শুরু করেন রবীন্দ্রনাথেরই শান্তি ও মৈত্রীর আহ্বানের একটি গানের দুলাইন গেয়ে। ছায়ানটের ভূমিকা তুলে ধরে বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু যখন পূর্ববাংলার সার্বিক বঞ্চনার তথ্য তুলে ধরে দেশবাসীকে জাগালেন, তখন সংস্কৃতিক্ষেত্রে স্বাধীনতা আর স্বাধিকার আন্দোলনের সংগ্রামে আমরা ছিলাম তাঁর সহযাত্রী।’ তিনি বলেন, ‘ফেব্রুয়ারি মাস বাঙালির সাংস্কৃতিক স্বাধিকার আন্দোলনের সূচনালগ্ন। ভাষা-আন্দোলনের বিজয়-ইতিহাসের সঙ্গে মিশে আছে বাঙালির রক্তে-রাঙানো দানের গৌরবোজ্জ্বল স্মৃতি। শহীদ-স্মৃতি অমর হোক। জয়যুক্ত হোক আমাদের সাংস্কৃতিক অভিযাত্রা।’ সংস্কৃতি নিয়ে কাজ করার ক্ষেত্রে দায়বদ্ধ হয়ে পড়ার কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘ভারত রাষ্ট্রীয়ভাবে সাংস্কৃতিক সমপ্রীতির জন্য রবীন্দ্র-নামাঙ্কিত এই পুরস্কার ছায়ানটকে প্রদান করে আমাদের কৃতজ্ঞতাবদ্ধ করেছেন। আপন সংস্কৃতির প্রসার ও সমপ্রীতি প্রতিষ্ঠার পথে এগিয়ে চলায় নবপ্রেরণা যুগিয়েছেন।’   এই সম্মাননা গ্রহণের জন্য সন্?জীদা খাতুনের সঙ্গে দিল্লি গেছেন ছায়ানটের নির্বাহী সভাপতি ডা. সারওয়ার আলী, সহ-সভাপতি আবুল হাসনাত, সহ-সভাপতি খায়রুল আনাম শাকিল এবং সাধারণ সম্পাদক লাইসা আহমদ লিসা।