নদী রক্ষা কমিশনের প্রতিবেদন হাইকোর্টে

ধলেশ্বরী নদীর ৩০ একর জায়গা দখল করে আছে ৩৭ প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি

আপডেট : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২২:৫৩

মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর উপজেলার ধল্লা মৌজা সংলগ্ন ধলেশ্বরী নদীর প্রায় ৩০ একর জমি অবৈধভাবে দখল করে আছে ৩৭ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে মানিকগঞ্জ পাওয়ার জেনারেশনস লিমিটেডের দখলে আছে ১১ দশমিক ৩ একর ভূমি। গতকাল সোমবার অবৈধ দখলকারী প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির নামের একটি তালিকা হাইকোর্টে দাখিল করেছে স্থানীয় প্রশাসন। পাশাপাশি ধলেশ্বরী নদী রক্ষায় এক গুচ্ছ সুপারিশ করেছে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন।

কমিশন বলেছে, এক মাসের মধ্যে ধলেশ্বরী নদীর তীরস্থ সরকারি খাস জমি হতে সকল ধরনের দোকানসহ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। এই উচ্ছেদ কার্যক্রম ধলেশ্বরী নদীসহ ঢাকা ও তার চারপার্শ্বে অন্যান্য নদী বুড়িগঙ্গা, আদি বুড়িগঙ্গা, শীতলক্ষ্যা, তুরাগ, বংশী ও বালু নদীর ক্ষেত্রে অব্যাহতভাবে পরিচালিত হবে। এই উচ্ছেদ কার্যক্রম ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ এর অধীনে সীমানা নির্ধারণ ও উচ্ছেদ কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত হিসেবে চলমান থাকবে।

বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি এ প্রতিবেদনের উপর শুনানির জন্য পরবর্তী দিন ধার্য করেছেন।  গত বছরের ১৪ জুলাই ধলেশ্বরী নদী দখল নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে হাইকোর্টে রিট করে হিউম্যান রাইটস এন্ড পিস ফর বাংলাদেশ।