বেনাপোল বন্দর দিয়ে চাল আমদানি বন্ধ হয়নি

আপডেট : ০২ নভেম্বর ২০২১, ১৯:৩১

বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারতীয় চাল আমদানি বন্ধ হয়নি। আমদানিকারকরা স্বাভাবিক শুল্ক অর্থাৎ সাড়ে ৬২ ভাগ শুল্ক পরিশোধ করে চাল আমদানি করছেন। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ২৫ ভাগ শুল্ক পরিশোধে চাল আমদানিতে বিশেষ সুযোগ দিয়েছিল। সেই সময়সীমা ৩০ অক্টোবর শেষ হয়েছে।  

বিশেষ শর্তের সময়সীমা শেষ হলে খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে বেনাপোল বন্দর দিয়ে চাল আমদানির অনুমোদন বাতিলের  নির্দেশ দেওয়া হয়।  এ নির্দেশনা জারির পর ভারতীয় সীমান্তে অনেক চালের ট্রাক আটকা পড়ে আছে। এখন এসব চাল আনতে হলে সাড়ে ৬২ ভাগ শুল্ক পরিশোধ করে আনতে হবে।  

চালের দামের ঊর্ধ্বগতি রোধ ও আমদানি নিয়ন্ত্রণ করতে সরকার গত ২৫ আগস্ট ৪০০ জন আমদানিকারককে সাড়ে ১৬ লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানির অনুমতি দেয়। এর মধ্যে ছিল ১৪ লাখ ৫৩ হাজার মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল ও এক লাখ ৯৭ হাজার মেট্রিক টন আতপ চাল। তবে শর্ত ছিল ৩০ অক্টোবরের মধ্যে এ চাল ভারত থেকে আমদানি শেষ করতে হবে। চুক্তি অনুযায়ী ৩০ অক্টোবর ছিল চাল আমদানির শেষ দিন।

বেনাপোলের আমদানিকারক ওসমান গনি জানান, বিশেষ শর্তে চাল আমদানির মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। তবে এখনো বাংলাদেশের  প্রবেশের অপেক্ষায় অনেক ট্রাক লাইনে দাঁড়িয়ে রয়েছে।

আমদানিকারক আব্দুস সামাদ বলেন, বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি হওয়া মোটা চাল প্রতিকেজি ৪০ টাকা এবং চিকন চাল ৫২ টাকা দরে পাইকারি বিক্রি করা হচ্ছে। বন্দর থেকে ব্যবসায়ীরা চাল কিনে দেশের বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যাচ্ছেন।

বেনাপোল কাস্টম হাউসের ডেপুটি কমিশনার মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ভারত থেকে চাল আমদানি বন্ধ হয়নি। নির্ধারিত শুল্ক পরিশোধ করে ব্যবসায়ীরা চাল আমদানি করতে পারবেন।

বেনাপোল বন্দর

বেনাপোল বন্দরের উপ-পরিচালক (ট্রাফিক) মামুন কবীর তরফদার বলেন, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী বেনাপোল বন্দর দিয়ে শর্ত সাপেক্ষ অনুমোদিত চাল আর ভারত থেকে আসছে না। খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে নির্দেশনা আসলে ভারত সীমান্তে আটকে থাকা চাল শতকরা ২৫ ভাগ শুল্ক পরিশোধ করে ব্যবসায়ীরা খালাস নিতে পারবেন। নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত  এ সব চাল সাড়ে  ৬২ ভাগ শুল্ক পরিশোধ করে চাল খালাস নিতে হবে।

 

ইত্তেফাক/ইউবি