যে লজ্জার রেকর্ডের সঙ্গী কেবল বাংলাদেশ

আপডেট : ০৪ নভেম্বর ২০২১, ২০:০৫

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে এবার অনেক আশা-ভরসা নিয়ে মরুর দেশে গিয়েছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। সবচেয়ে অভিজ্ঞ খেলোয়াড় সাকিব আল হাসান ও বিসিবি প্রেসিডেন্ট নাজমুল হাসান পাপন জানিয়েছিলেন, সেমিফাইনালে খেলার স্বপ্ন। অন্যান্য খেলোয়াড় ও বোর্ড কর্তারাও আশার বাণী শুনিয়ে যান। কিন্তু সবই এখন অতীত। সম্ভবত নিজেদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইতিহাসে এবার সবচেয়ে বাজে পারফরম্যান্স করেছে লাল-সবুজ বাহিনী।

প্রথম রাউন্ডের প্রথম ম্যাচেই স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে পরাজয়। পরের ম্যাচে ওমানের বিপক্ষে হারতে হারতে জয় এবং তৃতীয় ম্যাচে পাপুয়া নিউগিনিকে হারিয়ে সুপার টুয়েলভ নিশ্চিত করা। অর্জন বলতে এতটুকুই। বাংলাদেশের বিশ্বকাপ মিশনের বাকি গল্পটা কেবল হতাশা, লজ্জা ও পরাজয়ের। সুপার টুয়েলভে নিজেদের শেষ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আরও একটি লজ্জার রেকর্ডের সঙ্গী হলো বাংলাদেশ। যেটির ভাগীদার কেবল রিয়াদ-মুশফিকরাই।

টি-টোয়েন্টিতে মুশফিকের কার্যকারিতা শেষ?

বৃহস্পতিবার (৪ নভেম্বর) দুবাই ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে বাংলাদেশকে ৮ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। টস জিতে টাইগারদের আগে ব্যাটিংয়ে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয় অ্যারন ফিঞ্চের দল। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ১৫ ওভারে ৭৩ রানেই অলআউট হয়ে যায় লাল-সবুজ বাহিনী। জবাবে মাত্র ৬.২ ওভারে ৮ উইকেট হতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় অজিরা। অর্থাৎ ৮২ বল বাকি থাকতেই জয় তুলে নিয়েছে অজিরা।

এ যেন ব্যর্থ বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের প্রতিচ্ছবি

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসে এর চেয়ে বেশি বলের ব্যবধানে আর কোনো টেস্ট খেলুড়ে দেশ পরাজিত হয়নি। বাংলাদেশই এ তালিকায় প্রথম ও একমাত্র।

বল বাকি থাকার হিসাবে এটাই অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে বড় জয় এবং টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যবধানের জয়। এর আগে একটি ম্যাচে নেদারল্যান্ডসকে ৯০ বল বাকি থাকতে হারিয়েছিল শ্রীলঙ্কা। কিন্তু নেদারল্যান্ডস আইসিসির সহযোগী দেশ।

ইত্তেফাক/টিএ