আইপিএলের শেষ দিকে টানা চারটি ম্যাচটি খেলেছিলেন সাকিব আল হাসান। আরব আমিরাতের কন্ডিশনে স্বল্প সময়ের ব্যবধানে অনেক ম্যাচ খেলেছেন তিনি। বিশ্বকাপে বাংলাদেশের জার্সিতে ছয়টি ম্যাচ খেলার পরই ইনজুরিতে পড়েন বাঁহাতি এ অলরাউন্ডার। মাঝপথেই বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে পড়েন তিনি। শেষ দুটি ম্যাচ খেলা হয়নি তার।
দুবাই থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পরিবারের কাছে ফিরে গেছেন অভিজ্ঞ এ ক্রিকেটার। হ্যামস্ট্রিং ইনজুরি সারতে সাকিবের সময় লাগবে কয়েক সপ্তাহ। সঙ্গত কারণেই চলতি মাসে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে হোম সিরিজের টি-২০ তে তার খেলা অনিশ্চিত। ধারণা করা হচ্ছে, টি-২০ সিরিজটাই মিস করবেন তিনি। তবে টেস্টে খেলার সম্ভাবনা রয়েছে তার।
পিঠের ইনজুরি নিয়ে বিশ্বকাপ চলাকালীন দেশে ফিরে যাওয়া মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন নিশ্চিতভাবেই মিস করছেন পাকিস্তান সিরিজ। তবে তল পেটে বল লেগে ব্যথা পাওয়া নুরুল হাসান সোহান শঙ্কামুক্ত। খেলতে পারবেন পাকিস্তান সিরিজে। গতকাল দুবাই ছাড়ার আগে এসব তথ্য জানিয়েছেন বিসিবির প্রধান চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরী।
তিনি বলেছেন, সাকিবের সুস্থ হতে অন্তত ৩ সপ্তাহ সময় লাগবে। সেদিক থেকে টি-২০ সিরিজটা মিস করবেন তিনি। কারণ ১৯ নভেম্বর মিরপুর স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ-পাকিস্তান প্রথম টি-২০ অনুষ্ঠিত হবে। পাকিস্তানের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে সাকিবকে পাবে বাংলাদেশ।
টি-২০ বিশ্বকাপে প্রথম রাউন্ডে ভালো পারফরম্যান্স ছিল সাকিবের। তবে মূল পর্বে বলার মতো কিছুই করতে পারেননি তিনি। মোট ৬ ম্যাচে ১১ উইকেট ও ১৩১ রান করেছেন বাঁহাতি এ অলরাউন্ডার। এদিকে পেস বোলিং অলরাউন্ডার সাইফউদ্দিনকে মাঠের বাইরে থাকতে হবে আরও ৬ সপ্তাহ। তার পুরনো ইনজুরিই মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে।
বিশ্বকাপের ব্যর্থ মিশন শেষে বৃহস্পতিবার দুই ভাগে দেশে ফিরেছেন ক্রিকেটাররা। স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ও বিকেল পৌনে ৫টায় ক্রিকেটাররা দুবাই ছেড়েছেন। তবে অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস ও তাসকিন আহমেদ দুবাই রয়ে গেছেন। কোচিং স্টাফের কেউই ফিরেননি ঢাকায়। ১১ নভেম্বর তাদের ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে। ১২ নভেম্বর থেকে জাতীয় দলের ক্যাম্প শুরু হতে পারে পাকিস্তান সিরিজের জন্য।
এদিকে হতাশার বিশ্বকাপ মিশন, টানা জৈব সুরক্ষা বলয়ে অবস্থান মিলে ক্রিকেটারদের উপর মানসিক ধকল কম নয়। দেশে ফিরে ছুটিতে থাকলেও প্রয়োজনে সবার কাউন্সিলিং করাবে বিসিবির মেডিক্যাল বিভাগ।

