বগুড়ার শেরপুরে সুঘাট ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী মনিরুজ্জামান জিন্নাহর মোটরসাইকেল শোভাযাত্রায় হামলার অভিযোগ উঠেছে স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে। এছাড়া নৌকা মার্কার নির্বাচনী কার্যালয় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে বলেও জানা যায়। এ ঘটনায় সোমবার (৮ নভেম্বর) বিকেলে শেরপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
অভিযোগে জানা যায়, আগামী ১১ নভেম্বর দ্বিতীয় ধাপে অনুষ্ঠেয় সুঘাট ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী মনিরুজ্জামান জিন্নাহ নৌকা প্রতীকে ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল মামুন জিহাদ টেলিফোন প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন। নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণার অংশ হিসেবে রবিবার (৭ নভেম্বর) সন্ধ্যা রাতে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর নৌকা মার্কার সমর্থনে একটি মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা বের করেন। শোভাযাত্রাটি বেলগাছি এলাকায় পৌঁছালে পেছন থেকে হামলা চালানো হয়।
একপর্যায়ে শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া আওয়ামী লীগ কর্মী গোলাম সারোয়ার ভুট্টোর মোটরসাইকেলটি পেছনে পড়ে যান। পরে তাকে একা পেয়ে লাঠি ও হকিস্টিক দিয়ে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করে দ্রুত পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।
অপরদিকে একই রাতে ওই ইউনিয়নের সুঘাট মধ্যভাগ এলাকায় নৌকা মার্কার নির্বাচনী কার্যালয়ে হানা দেয় দুর্বৃত্তরা। এসময় কার্যালয়টিতে থাকা বেশ কয়েকটি চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করা হয়।
আওয়ামী লীগের প্রার্থী মনিরুজ্জামান জিন্নাহ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমার প্রতিদ্বন্ধি প্রার্থীর লোকজন এসব ঘটনা ঘটিয়েছেন। যাতে করে নির্বাচনী পরিবেশ নষ্ট হয়। আমার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে এবং নির্বাচনে পরাজয় নিশ্চিত জেনে সহিংসতার পথ বেছে নিচ্ছে। তাই বিষয়টি লিখিতভাবে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে জানিয়েছেন বলে জানান তিনি।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল মামুন জিহাদ। তিনি বলেন, নৌকার প্রার্থীর লোকজনকে মারপিট করার প্রশ্নই আসে না। বরং তারাই আমার লোকজনকে প্রতিনিয়ত হুমকি-ধামকি ও মারপিট করছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম এ প্রসঙ্গে বলেন, অভিযোগটি তদন্ত পূর্বক আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
