শিল্পীর সবচেয়ে ভালোলাগার জায়গা হলো মঞ্চ : কাদেরী কিবরিয়া

আপডেট : ০৯ নভেম্বর ২০২১, ২০:৪৬

কোভিডের পর আবারও সচল হয়েছে সবকিছু। দীর্ঘ বিরতির পর মঞ্চে দেখা গেল স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কণ্ঠশিল্পী, প্রখ্যাত রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী কাদেরী কিবরিয়াকে।

যুক্তরাষ্ট্রের ডালাসের আর্ভিং আর্ট সেন্টার গত ১৬ অক্টোবর তার গানের মোহমুগ্ধতায় ভাসালেন দর্শকদের। ডালাস বাংলা উৎসব খুবই ঐতিহ্যবাহী একটি অনুষ্ঠান যা নিয়মিত হয়ে আসছে।

ফোনে কাদেরী কিবরিয়ার সাথে আলাপকালে তিনি জানালেন,‘একজন শিল্পীর সবচেয়ে ভাললাগার জায়গা হলো মঞ্চ। সেই মঞ্চ প্রায় অবরুদ্ধ ছিল টানা দুইবছর। তাই এই ডালাস উৎসবে বাঙালিদের সামনে গান গাইতে পেরে ভাল লাগছে।’

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরেই এই বরেণ্য শিল্পী প্রবাস যাপনে। এদিন অনুষ্ঠানে সানাম টিভির প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী প্রযোজক খন্দকার তৌফিক কাদের পূর্ব ঘোষিত ‘স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার ২০২১’ তুলে দেন শিল্পী কাদেরী কিবরিয়া ও কবি কাজী জহিরুল ইসলামের হাতে।

আয়োজক তৌফিক কাদের বলেন,‘কাদেরি কিবরিয়ার কণ্ঠে অগনিত বাঙালি রবীন্দ্রগানের প্রতি অনুরক্ত হয়েছেন। তার এই বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে এই সম্মাননাটি তুলে দিতে পেরে আমার নিজেরও ভাল লাগছে। কাদেরী কিবরিয়া ভাইয়ের সাথে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক আমার। সেই হিসেবে বলবো এখনও তার অসাধারণ কণ্ঠ মাধুর্যে যেমন মুগ্ধ করলেন শ্রোতাদের তা অভাবনীয়।’

কাদেরি কিবরিয়া বছর দুয়েক আগে ঢাকায় বেশ কিছুদিন থেকে কিছু অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন। আবার কবে দেশে আসবেন এমন প্রশ্নে শিল্পী বলেন,    মনটা তো দেশেই পড়ে থাকে। বরং স্টেজে যখন বাংলা গান গাই, চোখ বুজে দেশটাকেই বুকে রেখে গাই। করোনা না থাকলে হয়ত এর ভেতরেই যাওয়া হতো। শরীর স্বাস্থ্য ভাল থাকলে খুব জলদিই হয়ত আসা হবে।’

সন্ধ্যা ৬টায় মূল অনুষ্ঠান শুরুর ঘোষণা ছিল। অনুষ্ঠানে অন্যান্য পরিবেশনার ভেতরে ছিল ঐশীর কণ্ঠে ‘কফি হাউজের আড্ডাটা’ । দুই ভাই আলভি ও জারিফ পরিবেশন করে ‘রাঙামাটির রঙে’। 

ওয়াফি কণ্ঠে ‘আমি তোমাকেই বলে দেব’। নোভা ও নোরা দ্বৈত নাচ পরিবেশন করে ‘আজ ধানের ক্ষেতে’ রবীন্দ্রসঙ্গীতের সঙ্গে।  অহনা জয় গোস্বামীর ‘মেঘবালিকা’ কবিতার আবৃত্তি সকলকে মুগ্ধ করে। আর ছিল তাহিয়া’র ভরতনাট্যমের নৃত্য পরিবেশনা।

স্থানীয় শিল্পীদের ভেতরে গান পরিবেশন করেন ফারহানা হোসেন লিপি, মাফিয়া রহমান, লিমন রশিদ, নাসরীন রেজা এবং জসীম উদদীনের নিমন্ত্রণ কবিতা আবৃত্তি করেন সাবিরা কেয়া। পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ফারহানা রেজা। 

ইত্তেফাক/বিএএফ