ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল তিনদিনব্যাপী জাতিসংঘের ছায়া সম্মেলন। ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি মডেল ইউনাইটেড নেশন ক্লাব-এর আয়োজনে সম্মেলনটি চলেছে গত ১৪ থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।
এবারের শিরোনাম ছিল ‘ওয়ার্কিং টুওয়ার্ডস সাস্টেইন্যাবেল ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড এন ইনক্লুসিভ সোসাইটি’।
যেখানে ১৩০ জন শিক্ষার্থীর প্রত্যেকে ইউএন-এর একজন প্রতিনিধি এবং একটি দেশের প্রতিনিধি হিসেবে একটি দেশের উন্নয়ন, সমস্যা ও উত্তরণের দিকগুলো নিয়ে আলোচনা করেছে।
মূলত এই কার্যক্রমের মাধ্যমে বহির্বিশ্বের কর্মকাণ্ড, পররাষ্ট্র নীতি, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক রক্ষা এবং কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রেখে কিভাবে একটি দেশের প্রতিনিধি হয়ে সেসব বিষয়াদি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরতে হয় সে বিষয়গুলোই শিক্ষার্থীরা এমইউএন-এর মাধ্যমে শিখছে।
এমইউএন প্রতিনিধিদের মধ্য থেকে পাঁচটি কমিটি নির্ধারণ করে দেওয়া হয় এবং প্রত্যেকে একেকটি দেশের প্রতিনিধি হিসেবে তার দেশের পলিসি, সমস্যা এবং কিভাবে সমাধান করা যেতে পারে তার গঠনমূলক আলোচনা তুলে ধরেছেন বিগত দুই দিনের অধিবেশনে। এতে করে জাতিসংঘে এবং আমাদের জাতীয় সংসদে কিভাবে নতুন আইন, বিল পাস হয় তার বাস্তবিক জ্ঞান লাভ করছে শিক্ষার্থীরা।
ইস্ট ওয়েস্ট এমইউএন-এর একজন প্রতিনিধি চৌধুরী আবেদিন। তিনি বলেন, ‘এই তিন দিনের অধিবেশনে আমরা বহির্বিশ্বে যেসকল কর্মকাণ্ড সম্পাদিত হয়, কিভাবে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বজায় রাখতে হয়; তা জেনেছি। এই অভিজ্ঞতা সত্যি আমাদের শিক্ষাজীবনে বাড়তি মূল্য যোগ করবে।’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয় এমইউএন ক্লাবের মডারেটর পারভেজ করিম আব্বাসি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, ‘এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা চলমান বিশ্ব সম্পর্কে জানতে পারছে।’
ইউনাইটেড ন্যাশনস ও আমাদের জাতীয় সংসদের মতো শিক্ষার্থীরা দুটি সম্মেলন করেছে। যেখানে সরকারের আইন প্রণয়ন এবং দেশ পরিচালনায় যেসকল প্রতিবন্ধকতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তা তুলে ধরে এবং উত্তরণের জন্য বিভিন্ন খসড়া অনুমোদন করে। তিনদিনের এই অধিবেশনের শেষ দিনে প্রতিটি কমিটির সদস্যদের হাতে সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।
