বাঁচাও হাওর আন্দোলনের
উদ্যোগে মানববন্ধন
সিলেট অফিস ও বিশ্বনাথ সংবাদদাতা
অবৈধ দখলদারদের হাত থেকে সিলেটের বিশ্বনাথের ১০টি হাওর ও খাল উদ্ধার এবং পুনঃখননের দাবিতে সিলেটে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সিলেটের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে বাঁচাও হাওর আন্দোলনের উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসক বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বিশ্বনাথের অধিকাংশ খাল ভরাট ও অবৈধভাবে দখল হয়ে যাওয়ায় পানি নিষ্কাশন হচ্ছে না। ফলে দীর্ঘ ১০/১৫ বছর ধরে বিশ্বনাথের অধিকাংশ হাওরের কৃষি জমিতে আবাদ করা যাচ্ছে না। হাজার হাজার হেক্টর জমি অনাবাদি ও বিরাণভূমিতে পরিণত হয়েছে। ফসল উত্পাদন থেকে ব্যাহত হচ্ছে বিশ্বনাথবাসী। অবিলম্বে বিশ্বনাথ উপজেলার রহিমপুর মৌজা, হরিপুর মৌজা, কর্মকলাপাতি এনায়েতপুর মৌজা ও খুরমা মৌজার কৃষি জমি আবাদের জন্য ভরাট হয়ে যাওয়া খাল ও হাওর পুনঃখনন করতে হবে। বক্তারা আরো বলেন, খাল পুনঃখননের সাথে ইসলামাবাদ মৌজার দখলকৃত স্থাপনা উচ্ছেদ করতে হবে। তাছাড়া পানি নিষ্কাশন ও নৌ চলাচলের সুবিধার জন্য হরিপুর বড় খাল ও রহিমপুর রামপুর খাল পুনঃখননেরও দাবি জানান বক্তারা।
বাঁচাও হাওর আন্দোলনের বিশ্বনাথ উপজেলার আহ্বায়ক সাজিদুর রহমান সোহেলের সভাপতিত্বে ও বাঁচাও বাসিয়া নদী ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক মোঃ ফজল খানের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনের সিলেট জেলার আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মুজিবুর রহমান, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা), সিলেট জেলা সাধারণ সম্পাদক আব্দুল করিম কীম, সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শাহ দিদার আলম নবেল। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় ইউপি সদস্য সজ্জাদ আলী, গৌছ আহমদ, খায়রুল ইসলাম কবির, আফতাব আলী, লতিফ আলী, মোজাহিদ মিয়া (মাজাই), দিলোয়ার হোসেন, আব্দুল কাদের মোল্লা, আলকাছ আলী, আরশ আলী, কালা মিয়া, গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী, দিলোয়ার হোসেন ধলা মিয়াসহ স্থানীয় এলাকাবাসী। মানববন্ধন শেষে খাল সংস্কার ও পুনঃখননের দাবিতে জেলা প্রশাসক বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। স্মারকলিপি গ্রহণ করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সন্দীপ কুমার সিংহ।
