বুধবার, ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২৫ মাঘ ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

ব্যাটিং ব্যর্থতাকে দুষলেন রিয়াদ

আপডেট : ১৯ নভেম্বর ২০২১, ১৮:৫৮

ম্যাচ শেষে বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ বলেছেন, ‘আমাদের ব্যাটিংয়ে এমন পারফরম্যান্স করা উচিত হয়নি। বিশেষ করে টপ অর্ডারে। বিশ্বকাপেও আমাদের টপ অর্ডারে এই ঘাটতি ছিল। আমরা ১২৭ রান করেছি। রানটা যদি ১৪০ হতো তাহলে ম্যাচের ফল ভিন্ন হতে পারতো।’

শুক্রবার (১৯ নভেম্বর) মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে হারার পর তিনি এসব কথা বলেন। 

রিয়াদ মনে করেন, আমরা যখন ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেই তখন মনে হচ্ছিল উইকেট ব্যাটিংয়ের জন্য সহায়ক হবে। কিন্তু বোলাররা উইকেট থেকে সাহায্য পেয়েছে। এটা অজুহাত হতে পারে না। 

বিশ্বকাপ থেকেই বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে বেহাল দশা। টপ অর্ডাররা দিনের পর দিন হতাশ করেছেন। সৌম্য, লিটনরা বারবার ব্যর্থ হওয়ায় তাদের বাদ দিয়ে শান্ত, সাইফদের নেওয়া হয়েছে। সাইফের আজ অভিষেক হয়েছে। কিন্তু ১ রানেই শেষ তার ইনিংস। শান্তর ব্যাটও হাসেনি। ১৪ বলে করেছেন ৭, এছাড়া নিয়মিত ওপেনার নাঈম শেখ করেন মাত্র ১ রান।

মধ্যভাগে আফিফ, সোহান ও মেহেদী হাল ধরলে বাংলাদেশের লড়াই করার পুঁজি পায়। স্বল্প পুঁজি নিয়ে বোলাররা লড়াই করেছিল ঠিকই। ২৪ রানে পাকিস্তান হারায় রিজওয়ান, বাবর, হায়দার ও শোয়েব মালিকের উইকেট। ১২৮ রান তাড়া করতে নেমে প্রথম ১০ ওভারে পাকিস্তানের রান ৪০। শেষ ১০ ওভারে তাদের জয়ের জন্য ৮৮ রান লাগতো। অথচ বাংলাদেশ নুন্যতম লড়াইটাও করতে পারেনি।

পাকিস্তানের ব্যাটসম্যানদের শেষের ঝড়ে এলোমেলো হয়ে যায় স্বাগতিকদের বোলিং। তবুও রিজওয়ান, বাবরদের ফিরিয়ে ম্যাচের শুরুতে যে লড়াই করেছিল বোলাররা, তাতে খুশি অধিনায়ক। 

বাংলাদেশ দলপতির ভাষ্য, ‘আমরা দ্রুত কয়েকটি উইকেট তুলে নিয়েছি। বোলাররা অসাধারণ কাজ করেছে শুরুতে। আমরা কাছাকাছি চলে গিয়েছিলাম। তাসকিন দুর্দান্ত ছিল। কিন্তু শেষ দিকে ওরা স্নায়ু ধরে রেখেছিল। শেষ দুই ব্যাটসম্যান ম্যাচটা বের করে এনেছে। নেওয়াজ ও শাদাব পাকিস্তানকে জেতাতে দারুণ ভূমিকা রেখেছে।’

নিজেদের ভুল শোধরানোর সুযোগ পাচ্ছেন না মাহমুদউল্লাহরা। শনিবারই দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে মাঠে নামছে দুই দল। ম্যাচটা হারলে সিরিজ হেরে যাবে বাংলাদেশ। জিতলে লড়াইয়ে থাকবে। 

ইত্তেফাক/এসআই