যেসব অটো রাইস মিল চাল কেটে বা ছেঁটে মিনিকেট ও নাজিরশাইল নামে বিক্রি করছে তাদের তালিকা চেয়েছে হাইকোর্ট।
আগামী চার মাসের মধ্যে আদালতে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে। মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের করা রিটের শুনানি নিয়ে বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিবের হাইকোর্ট বেঞ্চ।
গতকাল রবিবার এই আদেশ দেন। এছাড়া চাল কেটে বা ছেঁটে উৎপাদনের কারণে জনগণের স্বাস্থ্যঝুঁকি আছে কিনা এবং খাদ্যের পুষ্টিমান ক্ষতি হয় কিনা সে বিষয়ে গবেষণা প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। আদালতে আবেদনের পক্ষে আইনজীবী মনজিল মোরসেদ শুনানি করেন।
পরে এই আইনজীবী জানান, বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুসারে ওভার পালিশ ও ছাঁটাইয়ের কারণে চালে জিংকের পরিমাণ এমনকি পুষ্টি উপাদান অনেক কমে যায়।
বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুসারে চালের ওপরের অংশ ছেঁটে ফেলার কারণে যে চাল মানুষ গ্রহণ করছে সেখানে কার্বোহাইড্রেডের অংশ বেশি যার কারণে টাইপ টু ডায়াবেটিস এ আক্রান্তের সম্ভাবনা বাড়ছে।
