পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের প্রথম দুই ম্যাচ হেরে সিরিজ হেরেছে বাংলাদেশ। তাই তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি নিয়মরক্ষার ম্যাচে পরিনত হয়।
প্রথম দুই ম্যাচের উদ্বোধনীতে নামা সাইফ হাসান শেষ ম্যাচে না থাকায় তৃতীয় ম্যাচে নাঈমের সঙ্গে উদ্বোধনীতে মাঠে নামেন নাজমুল হোসেন শান্ত। দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশ শিবিরের সর্বোচ্চ ৪০ রান করা শান্ত শেষ ম্যাচে আউট হন মাত্র ৫ রান করে।
তবে অপর পাশে থাকা নাঈম প্রথম দুই ম্যাচে দলের জন্য তেমন কিছু করতে না পারলেও শেষ ম্যাচে প্রতিরোধ গড়ে তুলেন। শান্ত আউট হয়ে ফিরে গেলে শামীম হোসেনকে নিয়ে ৩০ রানের জুটি গড়েন। শামীম হোসেন দলীয় ৩৭ রানের মাথায় ওসমান কাদিরের বলে ব্যক্তিগত ২২ রানে ফিরে গেলে আফিফ হোসেনকে নিয়ে দলের হাল ধরেন নাঈম।
আফিফ-নাঈম জুটি থেকে আসে ৪৩ রান। ইনিংসের ১৫ ওভারে আবারো সেই ওসমান কাদিরের বলেই ক্যাচ দিয়ে মাঠ ছাড়েন আফিফ। উদ্বোধনীতে নামা নাঈম শেখ মাহমুদউল্লাহর সঙ্গে জুটি গড়ে বড় স্কোরের দিকে এগিয়ে যেতে থাকে। তবে বিধিবাম। দলীয় ১১১ রানের মাথায় ব্যক্তিগত অর্ধশতক থেকে মাত্র ৩ রান দূরে থাকতে মোহাম্মদ ওয়াসিমের বলে কট এন্ড বোল্ড হয়ে মাঠ ছাড়েন।
নাঈমের আউটের পর বাংলাদেশ শিবিরে কেমন যেনো তাড়াহুড়ো শুরু হয়ে যায়। শেষ ৯ বলে ৩ উইকেট হারিয়ে শেষ পযন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১২৪ রানেই থেমে যায় বাংলাদেশের ইনিংস।
পাকিস্তানের পক্ষে ওসমান কাদির ও মোহাম্মদ ওয়াসিম দুটি করে ও শাহনেওয়াজ দাহানি ও হারিস রউফ একটি করে উইকেট লাভ করেন।
