কেশবপুরে গত ১০ মাসে ৪১টি ট্রান্সফরমার চুরি হয়েছে। এতে বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। বাধ্য হয়ে তারা রাত জেগে সেচ পাম্পের ট্রান্সফরমার পাহারা দিচ্ছেন। চুরি প্রতিরোধে কেশবপুর পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম স্বাক্ষরিত অভিযোগপত্র থানা পুলিশসহ উপজেলা প্রশাসন, জনপ্রতিনিধিদের কাছে দাখিল করা হলেও এখনো এর রহস্য উদঘাটন হয়নি।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, সম্প্রতি একটি সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্র উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে বৈদ্যুতিক লাইনে স্থাপিত ট্রান্সফরমার চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে। এসব ঘটনায় সাধারণ জনগণকে চুরি প্রতিরোধে পাহারার ব্যবস্থা করাসহ জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে বিভিন্ন স্থানে মোটিভেশন মিটিং, বারবার মাইকিং করা হলেও ট্রান্সফরমার চুরি অব্যাহত রয়েছে। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে ৪১টি ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনা ঘটেছে।
এ ব্যাপারে কেশবপুর পৌর এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশের উপপরিদর্শক আব্দুল আজিজ বলেন, একের পর এক চুরির ঘটনা ঘটলেও এর ক্লু উদঘাটন সম্ভব হচ্ছে না।
কেশবপুর জোনাল অফিসের ডিজিএম আব্দুল লতিফ বলেন, কেশবপুরের ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনায় চোরের নাম উল্লেখ করে থানায় অভিযোগ করা হলেও চোর আটকের ব্যাপারে কোন উদ্যোগ গ্রহণ করেনি পুলিশ।
