ঢাকার ধামরাইয়ের বালিয়া ইউনিয়নে ইসরাফিল (৩২) নামের এক যুবককে হাত-পা বেঁধে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান মজিবর রহমানসহ ১০ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
ধামরাই থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ওয়াহেত পারভেজ ইত্তেফাককে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আটককৃতরা হলেন, বালিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও নৌকা প্রতীক নিয়ে সদ্য নির্বাচিত চেয়ারম্যান মজিবর রহমান ও তার ভাতিজা সিয়াম, সূত্রাপুর শান্তি রক্ষা কমিটির সভাপতি আব্দুল মজিদ, মজিদের পুত্র সামছুল হক ও নাতি সিহাব, পশ্চিম সূত্রাপুর মসজিদের সভাপতি মজিবর, শামীম, নাছিমা আক্তার ও রাশেদা বেগম।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, নির্বাচনে বিপক্ষে থাকায় সোমবার বালিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মুজিবর রহমান ও তার লোকজন ইসরাফিলকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান। পরে সুত্রাপুর এলাকার স্থানীয় একটি সড়কের পাশে নিয়ে তার হাত-পা বেঁধে নির্যাতন চালানো হয়। পরে ওই যুবকের পরিবার স্থানীয়দের নিয়ে উদ্ধার করতে গেলে তাদের ধাওয়া দেন চেয়ারম্যানের লোকজন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে যুবককে উদ্ধারের চেষ্টা করলে চেয়ারম্যান ও তার লোকজন বাধা দেন। এরপর অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত অবস্থায় যুবককে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। একই সঙ্গে ঘটনায় জড়িত চেয়ারম্যানসহ দশ জনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
ধামরাই থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ওয়াহেত পারভেজ জানান, বালিয়া এলাকায় ইসরাফিল নামে একজনকে হাত-পা বেধে মারধরের ঘটনায় কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে।
