শুক্রবার, ২১ জানুয়ারি ২০২২, ৭ মাঘ ১৪২৮
দৈনিক ইত্তেফাক

অস্ট্রেলিয়ার সিটি কাউন্সিল নির্বাচনে লড়ছেন ৩০ বাংলাদেশি

আপডেট : ২৯ নভেম্বর ২০২১, ১৮:৪৮

অস্ট্রেলিয়ার প্রধান রাজ্য নিউ সাউথ ওয়ালেসের সিটি কাউন্সিল নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশিদের মধ্যে তুমুল উৎসাহ উদ্দীপনা বিরাজ করছে। রাজ্যের ১২৪টি কাউন্সিলে এবার সর্বোচ্চ সংখ্যক ৩০ জন বাংলাদেশি কাউন্সিলার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এরমধ্যে ৪ জন নারীও রয়েছেন। নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন বাংলাদেশি প্রার্থীরা। আগামী ৪ ডিসেম্বর এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

কিন্তু ইতিমধ্যেই নির্ধারিত কিছু কেন্দ্রে আগাম ভোট প্রদান শুরু হয়ে গেছে। বাংলাদেশি প্রার্থীরা নানাভাবে প্রচারণা শুরু করেছেন। সিডনির শহরতলির বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকাগুলো এখন মুখরিত নির্বাচনী প্রচারণা ও ভোটের আলোচনায়।

অস্ট্রেলিয়ার প্রধান দুটি দল বর্তমান ক্ষমতাসীন লিবারেল পার্টি ও প্রধান বিরোধী দল লেবার পার্টি—এ দুই দল থেকেও মনোনয়ন পেয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। কেউ কেউ লড়ছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেও। বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন রাজ্যে বাংলাদেশি কাউন্সিলর আছেন ৫ জন। এবারের নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী উল্লেখযোগ্য কাউন্সিলর প্রার্থীরা হলেন ক্যান্টাবেরি-ব্যাংকসটাউন সিটি কাউন্সিলে লুৎফুল কবির, সাজেদা আক্তার, এন এম মাসুম, আবু সুফিয়ান, ফাইজুন নাহার, মাহবুবুর রহমান ও ফাহমিনা হক, ক্যাম্বারল্যান্ড থেকে সুমন সাহা ও ড. সাবরিন ফারুকি, ক্যাম্বেলটাউন থেকে আবুল হোসাইন সরকার মাসুদ রানা চৌধুরী, আফজাল আহমেদ চৌধুরী, মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল এবং ডাব্বু থেকে শিবলি চৌধুরী ।

দুই প্রার্থী

কাউন্সিলর প্রার্থী ও ক্ষমতাসীন লিবারেল পার্টির স্থানীয় পর্যায়ের নেতা এন এম মাসুম বলেন, বাংলাদেশি প্রার্থীরা বাঙালী কমিউনিটির কণ্ঠস্বর । আমরা কমিউনিটির সুখে - দু:খে আছি কমিউনিটিও আমাদের সাথে আছে। সম্ভাবনাময় নারী কাউন্সিল প্রার্থী সাজেদা আক্তার বলেন, অস্ট্রেলিয়ার রাজনীতিতে এগিয়ে যাচ্ছেন বাংলাদেশীরা। আগামীতে কেন্দ্রীয় সরকারেও আমাদের প্রতিনিধি থাকবে। তিনি এবারের নির্বাচনে সকলের সহযোগিতা চান। অস্ট্রেলিয়ায় প্রায় ১ লাখ বাংলাদেশির অধিকাংশই থাকেন নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের সিডনি শহরে।

তাই সঙ্গত কারণেই সিডনি কাউন্সিল নির্বাচন বাংলাদেশিদের কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ। অস্ট্রেলিয়ার সরকার ব্যবস্থা ৩ ভাগে বিভক্ত। কেন্দ্রীয়  ফেডারেল সরকারের হাতে রয়েছে দেশের প্রতিরক্ষা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও পররাষ্ট্রনীতি। কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও নগর উন্নয়নের দায়িত্ব পালন করে রাজ্য সরকার। রাজ্যের সব থেকে দায়িত্বশীল ও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান হচ্ছে সিটি কাউন্সিল।রাজ্যটিতে প্রায় ৫২ লাখ ভোটার রয়েছে। দেশটিতে সব ভোটারের ভোট দেওয়া বাধ্যতামূলক, অন্যথায় জরিমানা গুনতে হয় ।

ইত্তেফাক/এসআই

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

কেন তসলিমা নাসরিনকে ‘মৃত’ ঘোষণা করলো ফেসবুক

ইতালিতে প্রবাসী নারীদের আয়োজনে পিঠা উৎসব

আমেরিকা-বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের নতুন কমিটির শপথ

মাদ্রিদে আয়েবাপিসির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

নিউইয়র্কে জেবিবিএ-এর একাংশের নির্বাচনে গিয়াস-তারেক প্যানেলের জয়

নয়াদিল্লির বাংলাদেশ হাই কমিশনে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উদযাপন

টোকিওতে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উদযাপিত

ব্রিটিশ রানির ‘এমবিই’ খেতাব পেলেন শেহরিন