কুমিল্লায় কাউন্সিলরসহ জোড়া খুনে ব্যবহৃত ২টি অস্ত্র উদ্ধার, গ্রেফতার ১

আপডেট : ০১ ডিসেম্বর ২০২১, ১৬:০৭

কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের (কুসিক) প্যানেল মেয়র ও ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সৈয়দ মো. সোহেল ও তার সহযোগী হরিপদ সাহা কিলিং মিশনে ব্যবহৃত দুইটি আগ্নেয়াস্ত্রসহ মো. শাখাওয়াত হোসেন ওরফে জুয়েল (৪৮) নামে এক সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। 

মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) দিবাগত গভীর রাতে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের একটি টিম জেলার নাঙ্গলকোট উপজেলার গান্দাচি গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করে। বুধবার (১ ডিসেম্বর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) এম. তানভীর আহমেদ। 

গ্রেফতার জুয়েল ওই গ্রামের মো. দোলোয়ার হোসেন মজুমদারের ছেলে। সে এ মামলার প্রধান আসামি শাহ আলমের ঘনিষ্ঠ বন্ধু।

গ্রেফতার জুয়েলকে জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) এম. তানভীর আহমেদ সাংবাদিকদের জানান, উদ্ধারকৃত অস্ত্র ২টি গত ২২ নভেম্বর কুমিল্লা নগরীর ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সৈয়দ মো. সোহেল হত্যাকাণ্ডে জড়িত এজাহারনামীয় ১ নম্বর আসামি শাহ আলমের (২৯) ব্যবহৃত অস্ত্র। শাহ আলম ঘটনার পর দিন (২৩ নভেম্বর) রাতে জুয়েলের নাঙ্গলকোটের গান্দাচি গ্রামের বাড়িতে যায়। ঐ রাতেই শাহ আলম কাউন্সিলর হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দুটি আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি জুয়েলকে নিরাপদে রাখতে বলে। জিজ্ঞাসাবাদে জুয়েল পুলিশকে আরও জানিয়েছে, তারা উভয়ে (শাহ আলম ও জুয়েল) একসময় কুমিল্লা কারাগারে বন্দী ছিল। ঐ সময়ে তাদের মধ্যে সম্পর্ক হয় এবং একপর্যায়ে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। ওই রাতে অস্ত্র দুটি জুয়েলের হেফাজতে রেখে পরের দিন (২৪ নভেম্বর) সকালে শাহ আলম তাদের বাড়ি থেকে অজ্ঞাতনামা স্থানে চলে যায় বলে সে জানিয়েছে। 

তিনি আরও জানান, জুয়েলের কাছ থেকে ১টি ৭.৬৫ বিদেশি পিস্তল, ১টি বিদেশি রিভলভার, ২ দুইটি পিস্তলের ম্যাগাজিন, ৩ রাউন্ড পিস্তলের গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। অবৈধ অস্ত্র রক্ষণাবেক্ষণের জন্য শাখাওয়াত হোসেন জুয়েল ও পলাতক আসামি শাহ আলমের বিরুদ্ধে নাঙ্গলকোট থানায় অস্ত্র আইনে মামলা দায়েরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পলাতক আসামি শাহ আলমকে গ্রেফতারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।