বাংলাদেশি আমেরিকান পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের নতুন কমিটি

আপডেট : ১৫ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:৪৫

নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগে (এনওয়াইপিডি) কর্মরত বাংলাদেশি আমেরিকান পুলিশ অফিসারদের সংগঠন বাংলাদেশি আমেরিকান পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের (বাপা) ২০২২-২৩ এর কার্যকরী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। ঘোষিত নতুন কমিটিতে ক্যাপ্টেন কারাম চৌধুরী প্রেসিডেন্ট এবং লেফটেন্যান্ট এ কে এম আলম (প্রিন্স) সাধারণ সম্পাদক হিসাবে পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন। নির্বাচন কমিশন এই নতুন কমিটি ঘোষণা করেন।

বাপা’র মিডিয়া লিয়াজোঁ ডিটেকটিভ জামিল সারোয়ার জানান, নির্বাচনে একটি মাত্র প্যানেল জমা পড়ায় গত  ৮ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশন সবাইকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করেন। নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যান লেফটেন্যান্ট শামসুল হক নির্বাচিতদের নাম ঘোষণা করেন। কমিশনের চেয়ারম্যানকে সহযোগিতা করেন ডেপুটি চেয়ারম্যান লেফটেন্যান্ট সাজেদুর রহমান এবং সার্জেন্ট মোহাম্মদ খান।

নির্বাচিত কমিটিতে রয়েছেন,প্রেসিডেন্ট ক্যাপ্টেন কারাম চৌধুরী, প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট সার্জেন্ট এরশাদুর সিদ্দিকী, দ্বিতীয় ভাইস প্রেসিডেন্ট ট্রাফিক সুপারভাইজার মোহাম্মদ চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক লেফটেন্যান্ট এ কে এম আলম (প্রিন্স), কোষাধ্যক্ষ অফিসার রাসেক মালিক, সহ-কোষাধ্যক্ষ অফিসার মেহেদী মামুন, ইভেন্ট কো-অর্ডিনেটর অফিসার সরদার মামুন, সার্জেন্ট-অ্যাট-আর্মস অফিসার সোনিয়া বড়ুয়া, মিডিয়া লিয়াজোঁ ডিটেক্টিভ জামিল সারোয়ার, কমিউনিটি  লিয়াজোঁ অফিসার মাহবুবুর জুয়েল, করেসপন্ডিং সেক্রেটারি ট্রাফিক সুপারভাইজার মহিউদ্দিন আহমেদ।

নতুন কমিটিতে নতুন দায়িত্ব পেয়েছেন সার্জেন্ট-অ্যাট-আর্মস পদে অফিসার সোনিয়া বড়ুয়া এবং দ্বিতীয় ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে ট্রাফিক সুপারভাইজার মোহাম্মদ আলী চৌধুরী। সার্জেন্ট-অ্যাট-আর্মস পদ থেকে কমিউনিটি লিয়াজোঁ অফিসার পদে নতুন দায়িত্ব পেয়েছেন অফিসার মাহবুবুর জুয়েল।

২০১৫ সালে গঠিত হয় বাংলাদেশি আমেরিকান পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের (বাপা)। সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মনোনীত হন লেফটেন্যান্ট সৈয়দ সুমন। ব্যক্তিগত কারণে তিনি দায়িত্ব থেকে সরে গেলে সভাপতির চলতি দায়িত্ব পালন করেন লেফটেন্যান্ট কমান্ডার শামসুল হক। এরপর একাধারে চার বার সভাপতি নির্বাচিত হন লেফটেন্যান্ট সুজাত খান। এরপর সভাপতি নির্বাচিত হন ক্যাপ্টেন কারাম চৌধুরী।

এছাড়া প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন সার্জেন্ট হুমায়ূন কবীর। এরপর এই পদে নির্বাচিত হন লেফটেন্যান্ট এ কে এম আলম (প্রিন্স)।

বাপা গঠনের অন্যতম উদ্যোক্তা ডিটেকটিভ জামিল সারোয়ার এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি ছিলেন। পরবর্তীতে বিগত তিন টার্ম তিনি মিডিয়া লিয়াজোঁর দায়িত্ব পালন করছেন।

প্রতিষ্ঠার পর থেকে নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটিকে নানাভাবে সহযোগিতা করে আসছে বাপা। এছাড়া এনওয়াইপিডিতে অফিসার ও ট্রাফিক এজেন্ট পদে নিয়োগেও বাংলাদেশি নতুন প্রজন্মকে উত্সাহ জোগাচ্ছেন সংগঠনটির কর্মকর্তারা। ফলে নিউইয়র্ক পুলিশে এখন বাংলাদেশিদের জয়-জয়কার। কমান্ডিং অফিসারসহ নিউইয়র্ক পুলিশের বিভিন্ন শাখায় গুরুত্ব পদে দায়িত্ব পালন করছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত পুলিশ অফিসার, যারা বাপার গর্বিত সদস্য।

নিউইয়র্কের মূলধারায় বাপা এখন একটি পরিচিত সংগঠন। বাংলাদেশি কমিউনিটিকে সহায়তা দিতে বাপা’র উদ্যোগে নিউইয়র্ক সিটির বিভিন্ন স্থানে একাধিক টাউন হল মিটিং হয়েছে। এসব মিটিংয়ে পুলিশ কমিশনারসহ শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে কমিউনিকে নানাভাবে পরামর্শ ও সহযোগিতা দিয়েছেন। 

ইত্তেফাক/এমআর