ওটসের যত উপকারিতা

আপডেট : ১৮ ডিসেম্বর ২০২১, ১৫:৩০

ওটস পুষ্টি উপাদান সমৃদ্ধ খাবার। ওটসে প্রচুর ফাইবার এবং অ্যাভিন্যানথ্রামাইড থাকে, যা স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বেশ কার্যকর। অ্যাভিন্যানথ্রামাইড ধমনীতে প্রদাহ কমায় ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। 

এছাড়াও ওটসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন, প্রোটিন, ভিটামিন-বি সহ আরো অনেক পুষ্টি উপাদান। বিশেষত ওটসে রয়েছে ভিটামিন-বি, যা শরীরে কার্বোহাইড্রেট হজমে সাহায্য করে। ওটসের স্বাস্থ্য উপকারিতা:

কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে
ওটসে রয়েছে বেটা গ্লুকোন নামক বিশেষ ধরনের ফাইবার। যা শরীরে কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রতিদিন তিন গ্রাম ওটস খেলে তা প্রায় আট থেকে দশ শতাংশ পর্যন্ত কোলেস্টেরল কমাতে সহায়ক।

হার্ট ভালো রাখে
ওটসে রয়েছে বিশেষ এক ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান যা শরীরের ভালো কোলেস্টেরল অর্থাৎ এলডিএলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। যার ফলে হৃদরোগের ঝুঁকিও কমে।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে
নিয়মিত ওটস খেলে অতিরিক্ত মানসিক চাপ বা দুশ্চিন্তার কারণে হাইপার টেনশনের ঝুঁকি কমে যায়।

ইমিউনিটি বাড়ায়
ওটসের বেটা-গ্লুকোন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা ইমিউনিটি সিস্টেমকে বৃদ্ধি করে। শরীরে ব্যাকটেরিয়া জনিত ইনফেকশন প্রতিরোধেও সাহায্য করে ওটস।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ
ডায়াবেটিস রোগীরাও তাঁদের খাদ্য তালিকায় শামিল করতে পারেন ওটস। লো ক্যালোরি ও সুগার ফ্রি হওয়ায় ডায়াবেটিসের রোগীরা অনায়াসেই এটি ব্রেকফাস্টে রাখতে পারেন।

হজমে সাহায্যকারী
হজম ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে ওটস। যারা কোষ্ঠকাঠিন্য বা হজমের সমস্যায় ভুগছেন, তাঁদের জন্য ওটস দারুণ উপকারী। কেননা এতে থাকা ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। তাছাড়া লিভারের জন্যও ওটস উপকারী।

ওজন কমাতে সহায়ক
ওটস খাওয়ার পর দীর্ঘ সময় পেট ভরা ভাব অনুভূত হয়। ফলে চট করে খিদে পায় না। এর কারণ হল এতে থাকা গ্লুকোন ও পেপটাইডের বন্ধন। এই দুই উপাদান হল ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণকারী হরমোন। 

ইত্তেফাক/এআই