পার্বত্য জেলার নারী ও কন্যাশিশুরা অধিকতর স্বাস্থ্যঝুঁকিতে

আপডেট : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০০:১৩

পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলার নারী ও কন্যাশিশুরা অধিকতর খাদ্য, পুষ্টি ও স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছে। অবস্থা পরিবর্তনে পরিকল্পনা নয়, টেকসই পন্থা অবলম্বন করতে হবে।

পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে দারিদ্র্য, জীবনযাত্রা, খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টি, নারী, কন্যাশিশু এবং শিশুদের অবস্থা-নীতি-বিশ্লেষণ এবং এগিয়ে যাওয়ার সম্ভাব্য  উপায় সম্পর্কিত এক গবেষণায় এসব তথ্য বেরিয়ে আসে।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা গবেষণাটি পরিচালনা করে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি)। গতকাল বুধবার এ সম্পর্কিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উসৈ সিং এমপি। স্বাগত বক্তব্য দেন ডব্লিউএফপি প্রতিনিধি রিচার্ড রিগান। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন গবেষক দলের প্রধান ড. স্বপন আদনান। গবেষণার ওপর আলোচনা করেন রেজাউল করিম। বিশেষ অতিথি ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা বিষয়ক সচিব মো. মেসবাহুল ইসলাম। সমাপনী বক্তব্য দেন অতিরিক্ত সচিব সুদত্ত চাকমা।

মূল প্রবন্ধে বলা হয়, নারী ও কন্যাশিশুরা সামাজিক অর্থনৈতিক এবং ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে অসচেতন। তাদের শিক্ষার অভাব আছে। একই সঙ্গে আছে প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধার অভাব। প্রাকৃতিক প্রতিকূলতার সঙ্গে থাকে যৌন নির্যাতনের আশঙ্কা। রয়েছে চিকিত্সা সেবার বড় অভাব। বয়ঃসন্ধিকালের কিশোরীদের জন্য কোনো প্রকার স্বাস্থ্যসেবা নেই। যোগাযোগ ব্যবস্থা ও চিকিত্সকের অভাবে নবজাতক ও প্রসূতি মা স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়েন। এসব অবস্থার পরিবর্তনে টেকসই পন্থা অবলম্বন করতে হবে।