ঝালকাঠিতে সুগন্ধা নদীতে লঞ্চে আগুনের ঘটনায় দগ্ধ শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন পাঁচ জনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
এদের মধ্যে শাহিনুর, মনিকা রানী ও মারুফা আক্তারকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেওয়া হয়েছে। এছাড়া জেসমিন আক্তার ও তার ছেলে তামিম হাসানকে হাই ডিসেন্সি ইউনিটে (এইচডিইউ) নেওয়া হয়েছে।
রবিবার (২৬ ডিসেম্বর) দুপুর ২টার দিকে ইত্তেফাক অনলাইনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন এস এম আইউব হোসেন।
তিনি জানান, এখানে চিকিৎসাধীন পাঁচজনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। এছাড়া ভর্তি থাকা ১০ জনের মধ্যে তিন থেকে চারজনের অবস্থা খারাপের দিকে যাচ্ছে। তাদের যেকোনো সময় নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেওয়া লাগতে পারে।
তিনি আরও জানান, আমাদের এখানে ২২ জন এসেছিল। এদের মধ্যে ১৬ জন ভর্তি হয়েছিল। সেখান থেকে হাবিব খান (৪৫) নামে একজন মারা গেছেন। এখন চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন ১৫ জন।
এদিকে সকালে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের প্রধান সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন এক ব্রিফিংয়ে বলেন, ভর্তি হওয়া প্রত্যেকের শ্বাসনালী পুড়ে গেছে। আইসিইউতে থাকা একজনের শরীরের ৪০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। অন্যদের ৫-৩০ শতাংশ পর্যন্ত দগ্ধ হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত ৩টার দিকে ঢাকা থেকে বরগুনাগামী এমভি অভিযান-১০ লঞ্চে আগুন লাগে। এতে এখন পর্যন্ত ৪১ জন মারা গেছেন।

‘লঞ্চটি কিনারায় নোঙর করলে এতো মৃত্যু হতো না’ 