পঞ্চগড়ে কনকনে ঠাণ্ডার মধ্যে হালকা বৃষ্টি

আপডেট : ৩০ ডিসেম্বর ২০২১, ০০:৫৬

পঞ্চগড়ে চলছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। একই সঙ্গে হালকা বৃষ্টিও হয়েছে। এদিকে বুধবার দুপুর পর্যন্ত সূর্যের মুখ দেখা যায়নি। সকাল থেকে আকাশ ছিল মেঘাচ্ছন্ন। দুপুরে অল্প সময়ের জন্য হালকা বৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি বইছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। শহরে লোকজনের উপস্থিতি ছিল কম। রাস্তাঘাটেও যানবাহন চলাচল কমেছে। দোকানপাটও খুলেছে দুই-একটা। পঞ্চগড়ে এটাই মৌসুমের দীর্ঘস্থায়ী কুয়াশাচ্ছন্ন দিন ছিল।

জেলা শহরের অটোরিকশাচালক আকবর আলী জানান, আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে আছে। শৈত্যপ্রবাহও বইছে। রাস্তাঘাটে লোকজন কম দেখা যাচ্ছে। জেলার সদর উপজেলার চার মাইল এলাকার বৃদ্ধ হাকিম আলী জানান, দুপুর পর্যন্ত সূর্যের দেখা পাওয়া যায়নি। কুয়াশায় আচ্ছন্ন ছিল। মনে হচ্ছে দুই-এক দিন সূর্যের মুখ দেখা যাবে না। জেলা শহরের মসজিদপাড়া এলাকার আবেদ আলী জানান, সারা দিন এমন আবহাওয়া থাকলে রাতে ঠাণ্ডা আরো বাড়বে। তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রাসেল শাহ জানান, বুধবার সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়ায় ১১ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। মঙ্গলবার এখানে তাপমাত্রা ছিল ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সারা দিন এমন অবস্থা বিরাজ করলে রাতে তাপমাত্রা আরো কমে যাবে বলে জানিয়েছেন তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রাসেল শাহ।

এদিকে দেবীগঞ্জ (পঞ্চগড়) সংবাদদাতা জানান, দেবীগঞ্জে শুরু হয়েছে শৈত্যপ্রবাহ। বুধবার সকাল থেকে সূর্যের দেখা মেলেনি। কনকনে ঠাণ্ডা ও উত্তরের হিমেল হাওয়া এ জনপদের লোকজনদের কাহিল করে ফেলেছে। দিন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঠাণ্ডাও বাড়তে শুরু করেছে। সবচেয়ে বেকায়দায় পড়েছেন নিম্ন-আয়ের খেটে খাওয়া মানুষ। প্রচণ্ড ঠাণ্ডায় তারা ঘর থেকে বের হতে পারছেন না। এদিকে চলতি মৌসুমে বোরো ধানের বীজতলা কোল্ড ইনজুরি থেকে আক্রান্ত থেকে রক্ষা করতে সেখানে পানি জমিয়ে রাখার পরামর্শ দিচ্ছে কৃষিবিভাগ। কৃষি বিভাগের পরামর্শে কৃষকরা বীজতলায় পানি জমিয়ে রাখছে। 

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাফিয়ার রহমান জানান, বোরো বীজতলা রক্ষায় সন্ধ্যায় বোরো বীজতলায় পানি দিতে হবে এবং সকালে বীজতলা থেকে পানি বের করে দেওয়ার পরামর্শ কৃষকদের দেওয়া হচ্ছে।

ইত্তেফাক/এমএএম