এক বছরে জীবন যাপন যতটা বদলে গেলো

আপডেট : ৩১ ডিসেম্বর ২০২১, ২১:৩৬

আর কয়েক ঘণ্টা পরেই বিদায় নেবে ২০২১ সাল। এরপর শুরু হবে নতুন বছর। ২০২০ সালের মার্চের শুরুর দিকে দেশে করোনা শনাক্ত হওয়ার পর থেকে বদলাতে শুরু করে মানুষের জীবন-যাপন, আচরণ। এমনকি খাদ্যাভ্যাস, দৈনিক রুটিন, পোশাকেও পরিবর্তন এসেছে। বদলে গেছে সামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে শুরু করে পেশাগত আচরণ। সেই পরিবর্তন আসলে কতটুকু ছিল, নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর আগে একবার পেছনে তাকানো যাক।

গাড়িতে যাচ্ছেন এক তরুণী।

সাধারণ লাইফস্টাইল

২০২১ সালের শুরুটায় ঘরের ভেতরেই থাকতে হয়েছে। ঢিলেঢালা লকডাউনের মাঝেই মানুষের গায়ে ছিল ক্যাজুয়াল ড্রেস। ফলে ঢিলেঢালা জামার প্রতি মানুষের আগ্রহ জেগেছে। সবকিছু স্বাভাবিক হওয়ার পরেও টাইট জিনসের প্রতি মানুষের আগ্রহের কমতি দেখা গেছে। তারকাদেরও ঢিলেঢালা জিনসে প্রায়ই দেখা যায় এখন। ২০২১ সালে মানুষের মনোযোগ ছিল আরামদায়ক পোশাকে। বিশেষত গরমে গ্যাবাডিনের ব্যবহার বেড়ে যায়। ঈদ, পূজা কিংবা জাতীয় উৎসবে কটি কিংবা পাঞ্জাবীর ব্যবহার তো স্বাভাবিকই ছিল। তবে পাঞ্জাবিতে ভারী কোনো কাজ খুব বেশি দেখা যায়নি। বিভিন্ন নামিদামি ব্র্যান্ডও এবার ডিজাইন যথাসম্ভব সাধারণ রাখার চেষ্টা করেছেন।

২০২১ সালে সবকিছুই সাধারণ রাখার চেষ্টা করেছে মানুষ। তবে চুলের ফ্যাশনে বেশ পরিবর্তন এসেছিলো। এ সময় অনেকেই চুল বড় করতে শুরু করেন। বিশেষত স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকায় অনেকেই চুল বড় করেন। এছাড়া চুলের রঙ বদলানোর ট্রেন্ডও শুরু হয়। টিকটক, লাইকির মতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রভাবে অনেকেই চুলের রঙ বদলেছেন। মেয়েদের মধ্যে মাঝারি আকৃতির চুল এবং ব্লিচ করা চুলের প্রতি আগ্রহ দেখা গেছে। তেমনই একজন রামপুরায় থাকা মাফরুহা লিভিন। তিনি চুলের কালার পরিবর্তন সম্পর্কে জানান, এমনিতে আমি কোরিয়ান বন্ড দল কে পপের ভক্ত। তাই চুলের কিছু অংশ পিংক বা গ্রিন করতে ভালো লাগে।

২০২১ এই চামড়ার জুতোর বিক্রি কিছুটা কমেছে। মানুষের নজর ছিলো স্নিকার্স, কিংবা হালকা ওজনের জুতোয়। বিশেষত ছেলেদের মাঝে বার্মিজ স্যান্ডেলের জনপ্রিয়তা লক্ষ্য করা গেছে। তবে নারীদের মাঝে স্নিকার্স আর হাই হিল বেশি জনপ্রিয় ছিলো।

মাস্ক ব্যবহার

ফ্যাশনে মাস্কের সংযোজন

২০২১ এ মাস্ক এর ফ্যাশন ছিলো জনপ্রিয়। বিভিন্ন রঙ, ডিজাইনের মাস্কে দেখা গেছে ফুটপাত, দোকান, অনলাইন শপ এবং ফার্মেসি। বিভিন্ন মূল্যমান এবং ডিজাইনের মাস্ক ফ্যাশন জগতে প্রায়শই দেখা যেতে শুরু করে। অনেকে অনুষ্ঠান, কিংবা নিজের ফ্যাশন বাড়াতে মাস্কের ব্যবহার শুরু করেন। অনেকে পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে মাস্ক পরার অভ্যাস গড়ে তোলেন।

ফার্মগেট ওভারব্রিজের নিচে তেমনই এক মাস্ক বিক্রেতার সাথে আমাদের আলাপ হয়। তিনি জানান, বাজারে কটন মাস্ক এবং ডাস্ট রেজিস্ট্যান্ট স্পঞ্জ মাস্কের কদর বেশি। কোন মাস্কে সুরক্ষা পাবে সেটা কিনতে চাইলে সবাই ফার্মেসিতে যায়। তবে কটন মাস্কের ফ্যাশনের জন্য ফুটপাত বা অনলাইন শপগুলোতেই যায় মানুষ। বাজারে বিভিন্ন ডিজাইনের এবং প্রিন্টের মাস্ক আছে। অনেকে নিজের প্রিন্ট দিয়েও মাস্ক বানিয়ে নিতে পারে এখন।

হ্যান্ড পেইন্টের শাড়ি।

হ্যান্ড পেইন্ট ড্রেসের কদর

২০২১ সালে হাতে আঁকা ছবির কদর বাড়তে শুরু করে। সূই, সুতো, চুমকি, জরির বদলে হাতে আঁকা পোশাকের কদর বাড়তে শুরু করেছে। বিশেষত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন পেজের মাধ্যমে হ্যান্ড পেইন্ট ড্রেস বিক্রি করা হতে শুরু করে।

যেহেতু বিভিন্ন শিল্পী বিভিন্ন কাজের ধরণ ফুটিয়ে তোলে, তাই এই ধরণের পোশাকে বৈচিত্র্যও লক্ষ্য করা যায়। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নাবিলা হক এই বিষয়ে জানান, ‘ক্যাম্পাস অফ থাকাকালীন আমি অন্যদের দেখে হ্যান্ড পেইন্টেড জামার ধারণা পাই। এমনিতে ভার্সিটি অফ থাকায় এই কাজে মনোযোগ দিতে পেরেছি।’ শাড়ির আঁচল, কটির সম্মুখভাগ, এমনকি কাপল হ্যান্ড পেইন্টেড ড্রেসের কদর বাড়তে শুরু করেছে।

ঠোটের যত্ন নিচ্ছেন।

মেক-আপের ট্রেন্ডে নতুনত্ব

সময় যাই হোক না কেন, মেকাপের ট্রেন্ডে বদল আসবে না কোনোদিন। তবে হয়তো পছন্দ বদলে যেতে পারে কিছুটা। ২০২১ এ ঘরে বসে থাকার দরুন মেক-আপে বদল এসেছে অনেক। বিশেষত আইব্রো এবং চোখের রঙ বদল করার ট্রেন্ড। লিপস্টিকের ক্ষেত্রে ন্যুড কালারের ব্যবহার বেশি দেখা গেছে। এছাড়াও সোপ, জেল, মাশকারা ইত্যাদির ব্যবহার বাড়লেও ন্যাচারাল এবং নো-মেকাপ লুএর দিকে বেশি ঝুঁকেছে। এ বিষয়ে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শারমিন নিশু বলেন, "রেগুলার জীবনযাপনে ভারী মেকাপ লুকে আসলে আমি খুব কমফোর্টেবল না। নো মেকাপ লুকেই প্রতিদিন ক্লাস বা নিয়মিত কাজে একটা স্বাচ্ছন্দ্য বোধ হয়।"

অনলাইনে অর্ডার করা পণ্য।

অনলাইন শপিংয়ে জনপ্রিয়তা

২০২১ এর শুরুর দিকেও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিলো। এই সময় অনলাইন কেনাকাটার প্রতি আস্থা বেড়েছে। বিশেষত দারাজ সহ আরও অনেক অনলাইন শপের জনপ্রিয়তা বাড়তে শুরু করেছে। ফলশ্রুতিতে এসকল শপের সেবার মানও বাড়তে শুরু করেছে।

তবে কিছু কিছু অনলাইন শপ স্ক্যামিং এর মাধ্যমেও ভোগান্তিতে ফেলেছে অনেক গ্রাহককে। অনলাইন শপের সবচেয়ে বড় সুবিধা ছিলো 'কাস্টমাইজেশন'। কাস্টম জামাকাপড়, ব্যাগ, মাস্ক বা অন্যান্য পণ্য অর্ডারের সুযোগ অনলাইন শপ করে দেয়ায় ভোক্তারাও সহজেই এই দিকে আকৃষ্ট হয়েছেন। এ বিষয়ে নৃত্যশিল্পী সানজিদা রহমান বলেন, যেহেতু নাচ করি সেক্ষেত্রে আমার প্রায়ই নানারকম কস্টিউমসের দরকার পড়ে। সবসময় মার্কেটে গিয়ে কেনার মত আসলে অনেক সময় থাকে না। তখন অনলাইন শপিংয়ের উপরই নির্ভর হতে হয়।

অনলাইনে অর্ডার করা খাবার বুঝে নিচ্ছেন।

ঘরে বসেই খাবার

২০২১ সালে এখনো অনলাইনে খাবার কেনাকাটার সুবিধা গ্রহণ করেছেন অনেকেই। ফুডপান্ডাসহ বিভিন্ন রেস্টুরেন্ট অ্যাপের মাধ্যমে বা ওই খাবারের দোকানের ফেসবুক পেজেই অর্ডার করেছেন। এছাড়া বিভিন্ন ডিসকাউন্টের সুযোগ থাকায় অনেকেই সুলভ মূল্যে খাবার কিনতে পেরেছেন। খাবার ডেলিভারি হওয়ার পরেও অভিযোগ করার এবং ঠিকঠাক গুণগত মান বজায় রাখার সুবিধা থাকায় আগত বছরগুলোতেও এর চাহিদা বাড়বে।

এ বিষয়ে ধানমন্ডি ক্যাফে বাসমতির মালিক জানান, "আমাদের খুব বেশি ঝামেলায় পড়তে হয়নি। সচরাচর অর্ডার ডেলিভারির জন্য আমাদের কটি অর্ডার আছে জানিয়ে দিলেই হয়। এতে শুরুর দিকে অনেক ফুডচেইন নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে সক্ষম হয়েছে।"

স্মার্টওয়াচের ব্যবহার বড়েছে।

ঘড়ি না বরং স্মার্টওয়াচেই সুবিধা

২০২১ এ প্রযুক্তির উন্নয়নের অংশ হিসেবেই স্মার্টফোনের চাহিদা বাড়তে শুরু করেছিলো। তাই স্মার্টফোনের পাশাপাশি স্মার্টওয়াচেও আস্থা বাড়তে শুরু করে। এ বিষয়ে বসুন্ধরার কে আর ওয়াই শপের বিক্রেতা বলেন, "সচরাচর স্মার্টওয়াচ আপনাকে কাস্টোমাইজেশনের সুবিধা দিবে। স্ট্র্যাপ বদলের সুবিধা পাচ্ছেন এবং সাথে অন্যান্য ফিচার সংযুক্ত থাকায় বিভিন্ন ক্ষেত্রে এর ব্যবহার করা সম্ভব। তাই সকলে স্মার্টওয়াচের দিকেই ঝুঁকেছে। তাছাড়া ভালো ঘড়ির থেকে দাম কম হওয়ায় সব পর্যায়ের মানুষই স্মার্টওয়াচ কিনতে পারেন। এতে স্টাইলেরও কমতি হয়না।"

বাজারে গোলাকৃতির স্মার্টওয়াচ এর চাহিদা বেশি ছিলো। এমনকি নামিদামি অনেক ব্র্যান্ডও স্মার্টওয়াচ বানানোর ক্ষেত্রে আগ্রহী হয়ে উঠেছিলো।

ল্যাপটপে কাজ করছেন এক ব্যক্তি।

ল্যাপটপ আর ফোনের চাহিদা

২০২১ এ কম্পিউটার এবং স্মার্টওয়াচের বাজার ছিলো সবচেয়ে বৈচিত্র্যময়। এরইমাঝে কিছু নামিদামি ব্র্যান্ড যেমন এলজি ফোন বানানো বন্ধের ঘোষণা দেয়। তবুও বাজেটে ভালো ফোনের কমতি ছিল না। অনলাইন ক্লাস এবং নিয়মিত যোগাযোগ নিশ্চিতের জন্যই সবাই ভালো ফোন বা ল্যাপটপ কেনার প্রতি আগ্রহ দেখিয়েছে।

বিশেষত রিফারবিশড কম্পিউটারের বাজার সব সময় ব্যস্ত ছিলো। এ বিষয়েও মিরপুরে আন নুর আইটির এক কর্মকর্তা জানান, "শুরুর দিকে বাজারে সাপ্লাই ছিলো না। তবুও নানাভাবে ভালো ল্যাপটপ বা কম্পিউটার জোগাড় করে ক্রেতাদের দিতে হয়েছে। ফলে এখনই বাজারে কম্পিউটার পার্টসের দাম বেড়েছে।" এছাড়াও ওয়াই ফাই রাউটারের চাহিদাও বাড়তে শুরু করেছে।

প্রতীকি ইন্টারনেট।

ইন্টারনেট সুবিধায় পরিবর্তন

করোনার সময় সকলেই ওয়াই ফাই ব্যবহারের দিকে ঝুঁকে পড়েছে। বিশেষত ফ্রি ফেসবুক বন্ধ করায় মোবাইল ডাটার খরচ কমাতেই সবাই ওয়াই ফাই এ ঝুঁকে পড়েছে। এ সময় লুডো, স্পেডস, বা ফ্রি ফায়ার পাবজির মতো গেম খেলার সংখ্যা বেড়েছে। বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ রক্ষার ক্ষেত্রে এই গেমগুলোও বেশ কার্যকর ছিলো।

বিয়ের সাজ।

বিয়ের আয়োজনের পরিবর্তন

২০২১ এর শুরুর দিকে জমায়েতে নানা বিধিনিষেধ ছিল। তবু উৎসব বা বিয়ের আয়োজন থেমে থাকেনি। ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের ব্যবসাগুলো মূলত বিয়ের আয়োজনেই টিকে ছিলো। তবে আয়োজনে এসেছে পরিবর্তন। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পারিবারিকভাবে ক্ষুদ্র পরিসরে বিয়ের আয়োজন করা হয়েছে। ফলে আয়োজনের বাড়তি খরচ কমেছে।

সাজের ক্ষেত্রে সকলেই স্বাভাবিক থাকার চেষ্টা করেছে। কমিউনিটি সেন্টার থেকে রেস্তোরা কিংবা পার্টি সেন্টারে বিয়ের আয়োজন হয়েছে। বিয়ের আগের বিভিন্ন স্বাভাবিক অনুষ্ঠান ঘরোয়াভাবেই করা হয়েছে। যদিও প্রি ওয়েডিং ফটোশ্যুট এবং পোস্ট ওয়েডিং ফটোশ্যুটের মাধ্যমেই বিয়ের আয়োজনে পূর্ণতা পেয়েছে।

তবে সম্পর্কের অবনতির বিষয়টিও লক্ষণীয়। ডিভোর্সের হারও এই সময় বেড়েছে প্রায় সতেরো শতাংশ।

সন্তানকে নিয়ে ঘুরতে গেছেন এক দম্পতি।

বেড়েছে ট্যুরের প্রচলন

২০২১ এ বিধিনিষেধ থাকাকালীন ট্যুরের জনপ্রিয়তা ছিলো। কক্সবাজারে ঘুরতে এসে সানজিদা আক্তার নামে একজন পর্যটক জানান, ‘অনির্দিষ্টকালীন ছুটি থাকায় হুট করে প্ল্যান করে আসা। ঘরে বসে থেকে বরং মানসিক বিষণ্ণতা বাড়ে। ট্যুর স্পটগুলোর পাশাপাশি হাইকিং এবং সাইকেল রাইডিং এর জনপ্রিয়তা দেখা গেছে।

রাইডশেয়ারে এক তরুণী।

পাঠাও এবং রাইড শেয়ার সংখ্যা বেড়েছে

২০২১ এ রাইড শেয়ার নিয়ে ভালো মন্দ নানা অভিজ্ঞতাই হয়েছে মানুষের। বাস কিংবা রিকশা চলায় বিধিনিষেধ থাকা এবং পরবর্তীতে ডিজেলের দাম বাড়ায় রাইড সেয়ারেই মানুষ ঝুঁকেছে। ঝিগাতলায় একজন যাত্রী জানান, "খুব কম সময়েই গন্তব্যে পৌছাতে পারি। একটু বেশি টাকা মনে হলেও আদতে সময়ের খরচটা থেকে বাঁচা যাচ্ছে।"

শরীর চর্চা করছেন এক ব্যক্তি।

স্বাস্থ্য সচেতনতায় মনোযোগ

২০২১ এ স্বাস্থ্য সচেতনতার দিকে বাড়তি মনোযোগ ছিলো সবার। এক্ষেত্রে ডায়েট, দৌড়ানো, মেডিটেশন, খাদ্যাভ্যাসেও পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। জিমে সদস্য বাড়ার পাশাপাশি ব্যক্তিগতভাবেই শরীরচর্চার আগ্রহ দেখা গেছে। এমনকি তারকারাও নিয়মিত শরীরচর্চা বিষয়ক পোস্ট শেয়ার করেছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

এ বিষয়ে ডকুমেন্টারি ফিল্ম মেকার লরেন্স দাস নিলয় বলেন, যেহেতু আমরা একটি কঠিন সময় পার করছি, এই সময়ে স্বাস্থ্য সচেতনতার বিকল্প নেই। আর শরীরের স্ট্যামিনা এবং ফিট থাকার জন্য শরীরচর্চা প্রথম পদক্ষেপ এবং এটি ভীষণ কার্যকর।

 

ইত্তেফাক/ইউবি