ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার সারুটিয়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী ও স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে নির্বাচনি সংঘর্ষে দুজন নিহত হওয়ার পর দুই গ্রামের স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থদের অধিকাংশ মানুষ বাড়ি ছাড়া। কোনো কোনো বাড়িতে লোকজন শূন্য। ঘরে তালা ঝুলতে দেখা যায়।
নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী মাহমুদুল হাসাস মামুন দাবি করেন নিহত দুজনই তার সমর্থক ও আওয়ামী লীগ কর্মী। শুক্রবার রাতে কাতলাগাড়ি বাজারে দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষকালে নিহত হারান বিশ্বাসের স্ত্রী সুফিয়া খাতুন রবিবার রাতে শৈলকুপা থানায় মামলা করেছেন। এ মামলায় ১৯৭ জনকে এজাহার নামীয় আসামী করা হয়েছে বলে জানান শৈলকুপা থানার ওসি রফিকুল ইসলাম। শনিবার বিকালে একই ইউনিয়নের ভাটবাড়িয়া গ্রামে ছুরিকাঘাতে নিহত জসিম উদ্দিনের পরিবারের পক্ষ থেকে সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্তও কোনো মামলা হয়নি। পুলিশ বিভিন্ন গ্রামে অভিযান চালিয়ে সংঘর্ষকালে ব্যবহৃত বেশ কিছু ঢাল, সড়কি, রামদা ও লাঠিসোটা উদ্ধার করেছে।
সোমবার ভাটবাড়িয়া গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে, গ্রেফতারের ভয়ে বাড়ি ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থীর পুরুষ সমর্থকরা । এছাড়া বেশ কয়েকটি বাড়িতে নেই কোনো লোকজন। ভাঙচুর করা হয়েছে বাড়িঘর। লুটপাট ঠেকাতে গ্রামে গ্রামে চলছে পুলিশি টহল।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নারী জানান, শনিবার একজন খুন হওয়ার পর চেয়ারম্যান প্রার্থী জুলফিকার কায়সার টিপুর সমর্থকরা বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়েছে। বাড়িতে গরু ছাগল ও মালামালা নেই।
ঝিনাইদহের পুলিশ সুপার মুনতাসিরুল ইসলাম বলেন, মানুষের নিরাপত্তা জোরদার হয়েছে। গ্রামে গ্রামে পুলিশের টহল চলছে। আর সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোটের যাবতীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

মেঘনায় ট্রলারডুবি: এক পরিবারের ৩ জনের মৃত্যু