কক্সবাজারে স্বামী-সন্তান জিম্মি করে গৃহবধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলার দুই নম্বর আসামি মেহেদী হাসান বাবু ওরফে গুন্ডিয়াকে (২৫) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
সোমবার (৩ জানুয়ারি) রাত ৯টার দিকে কক্সবাজার শহরের রুহুলার ডেইল ঘোনাপাড়া পাহাড়ী এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মহিউদ্দিন আহমেদ। মেহেদী হাসান বাবু কক্সবাজার শহরের বাহারছড়া এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে।
তিনি বলেন, আলোচিত এ মামলার এজাহারের দ্বিতীয় অভিযুক্ত মেহেদী হাসান বাবুকে গ্রেফতারের মধ্যে দিয়ে ধর্ষণ মামলার অভিযুক্ত সবাইকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে। এ নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণ ঘটনার মামলায় সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গত ২২ ডিসেম্বর রাতে স্বামী-সন্তানকে জিম্মি করে কক্সবাজার শহরের জিয়া গেস্ট ইন ও সৈকত পোস্ট অফিসের পেছনে এক নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় ওই নারীর স্বামী ৪ জনের নাম উল্লেখ ও তিনজনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা দায়ের করে। এ ঘটনায় গতকাল পর্যন্ত ৬ জনকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ ও র্যাব। এ ঘটনায় আশিক ছাড়া গ্রেফতার অপর ৫ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। আর কারাগারে থাকা আশিককে রবিবার শোন এরেস্ট দেখিয়ে সোমবার ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে তদন্ত কর্মকর্তা। মঙ্গলবারের শুনানি হবার কথা রয়েছে।
এদিকে, সংঘবদ্ধ ধর্ষণের এ ঘটনায় বিচারিক অনুসন্ধান চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে। সোমবার (৩ জানুয়ারি) সকালে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আবদুল্লাহ আল হারুন ভূঁইয়া এ রিট করেন। রিটে স্বরাষ্ট্রসচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটনসচিব, ট্যুরিস্ট পুলিশসহ সাতজনকে বিবাদী করা হয়েছে।
আবেদনে ওই ঘটনায় কক্সবাজার জেলা জজ বা চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে বিচারিক অনুসন্ধান করার এবং দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ায় কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না এই মর্মে রুল জারির আর্জি জানানো হয়েছে।
