সদরঘাট থেকে ছেড়ে যাওয়া লঞ্চ পরীক্ষায় ৫ কমিটি

আপডেট : ০৫ জানুয়ারি ২০২২, ০২:৫৩

ঢাকা নদী বন্দর (সদরঘাট) থেকে ছেড়ে যাওয়া সবগুলো লঞ্চ পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও পর্যবেক্ষণ করার জন্য পাঁচটি কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। সংস্থাটির পরিচালক ও প্রধান প্রকৌশলীদের নেতৃত্বে এসব কমিটি গঠন করা হয়েছে।

প্রতিটি কমিটিতে প্রকৌশলীদের রাখা হয়েছে। অভিযান-১০ লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডের মতো ঘটনা যাতে সামনে না হয় সেই পদক্ষেপ নিতে এসব কমিটি করা হয়েছে। গত রবিবার এ সংক্রান্ত দপ্তরে আদেশ জারি করা হয়। কমিটিগুলোকে লঞ্চ পরিদর্শন করে ত্রুটি-বিচ্যুতি চিহ্নিত করা ও এসব ত্রুটি নিরসনে সুপারিশ করতে বলা হয়েছে। 


জানা গেছে, পর্যায়ক্রমে কমিটিগুলো প্রতি সপ্তাহে দুই দিন সদরঘাট সরজমিনে পরিদর্শন করবেন। লঞ্চ পরিদর্শনের সময়ে একজন করে ম্যাজিস্ট্রেটও কমিটির সঙ্গে থাকবেন। সকাল ৬টা থেকে রাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত সদরঘাট থেকে ছেড়ে যাওয়া লঞ্চের সাধারণ ও কারিগরি দিক পর্যবেক্ষণ করবে এসব কমিটি। এ সময় যাত্রীসাধারণের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার মতো কোনো ত্রুটি পেলে ঐ লঞ্চের যাত্রা বাতিল করবে। এছাড়া অনিয়ম ও গাফিলতি পেলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে দায়ীদের সাজা দেবেন।


পাঁচ কমিটির প্রধানরা হলেন—বিআইডব্লিউটিএর পরিচালক (বওপ) কাজী ওয়াকিল নওয়াজ, পরিচালক (সওপ) মো. শাহজাহান, প্রধান প্রকৌশলী (প্রকৌশল বিভাগ) মো. মহিদুল ইসলাম, পরিচালক (নৌনিট্রা) মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম এবং প্রধান প্রকৌশলী (এমএমই বিভাগ) মো. আতাহার আলী সরদার।


তিন মালিককে নৌ আদালতের মামলায় গ্রেফতার : নৌপরিবহন অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, অভিযান-১০ লঞ্চের তিন জন মালিককে নৌ আদালতের মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। তাদেরকে ১৯ জানুয়ারি নৌ আদালতে হাজির করতে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের তত্ত্বাবধায়কের প্রতি আদেশ জারি করেছেন নৌ আদালতের বিচারক জয়নাব বেগম। মালিক তিন জন হলেন—কারাগারে থাকা মালিক হামজালাল শেখ, শামীম আহাম্মেদ ও রাসেল আহাম্মেদ। ঐ তিন জন মালিক বর্তমানে ৫৪ ধারায় গ্রেফতার হয়ে কারাগারে রয়েছেন।


রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বেল্লাল হোসাইন জানান, মঙ্গলবার এ তিন আসামিকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখিয়ে আদালতে হাজির করতে আবেদন করা হলে বিচারক তা মঞ্জুর করেন। আগামী ১৯ জানুয়ারি এ মামলায় কারাগারে থাকা আসামি চার মাস্টার-ড্রাইভারকেও আদালতে হাজির করার কথা রয়েছে।

 

ইত্তেফাক/ইউবি 

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন