ফেনীর দাগনভূঁঞায় মাদ্রাসা ছাত্রকে বলৎকারের ঘটনায় তিন শিক্ষককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে মূল আসামি পলাতক রয়েছেন। শুক্রবার (৭ জানুয়ারি) সকালে তাদের গ্রেফতার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দাগনভূঁঞা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) পার্থ প্রতিম দেব।
এর আগে ভুক্তভোগী ওই ছাত্রের মা বাদী হয়ে দাগনভূঁঞা থানায় মাদ্রাসার প্রিন্সিপালসহ ৪ শিক্ষককে আসামি করে মামলা করেন।
এ ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার প্রধান আসামি মো. কাউছার ছাড়া বাকি তিন আসামিকে বৃহস্পতিবার মাদ্রাসা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তারা হলেন- মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল আব্দুস সাত্তার (৪০), সহকারী শিক্ষক জাকিরুল ইসলাম (৩৯), কিতাব বিভাগের শিক্ষক আফতাব উদ্দিন (৪০)।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ভুক্তভোগী ওই ছাত্র উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের সমাসপুর আনোয়ারুল উলুম মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের ছাত্র। সে ওই মাদ্রাসায় থেকে পড়ালেখা করে। গত ৩০ ডিসেম্বর বিকেলে সব ছাত্র যখন আসরের নামাজ পড়ার জন্য মসজিদে চলে যায় তখন হেফজ বিভাগের সহকারী শিক্ষক মো. কাউছার ওই ছাত্রকে মসজিদে যাওয়ার আগে নিজের কক্ষে দেখা করতে বলে। ছাত্রটি তার কক্ষে গেলে একপর্যায়ে তাকে টয়লেটে নিয়ে জোরপূর্বক বলাৎকার করেন। পরবর্তীতে ভিকটিম বিষয়টি পরিবারকে জানালে তারা মাদ্রাসার প্রিন্সিপালকে জানান। কিন্তু মাদ্রাসার কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় বৃহস্পতিবার (৬ ডিসেম্বর) সকালে দাগনভূঁঞা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে ভুক্তভোগী ছাত্রের মা মামলা করেন।
পরিদর্শক (তদন্ত) পার্থ প্রতিম দেব জানান, প্রধান আসামিকে পালাতে সহযোগিতা করায় ভিকটিমের মা গ্রেফতার তিন শিক্ষককে মামলায় আসামি করেছেন। আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
