সাবেক প্রতিমন্ত্রীসহ সোনারগাঁওয়ের ১০ জনকে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার প্রমাণ নিয়ে হাজির হওয়ার নির্দেশ

আপডেট : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০০:১৮

সাবেক প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক মো. রেজাউল করিমসহ সোনারগাঁওয়ের ১০ জন মুক্তিযোদ্ধাকে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার প্রমাণসহ জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলে (জামুকা) হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল উপসচিব উপ পরিচালক প্রশাসন ও অর্থ মো. লাল হোসেন স্বাক্ষরিত এক অভিযোগ শুনানির নোটিসে এ নির্দেশ দেওয়া হয়। আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১টায় জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের সম্মেলন কক্ষে অভিযুক্তদের ও অভিযোগকারী ব্যক্তি উভয়কে তাদের স্বপক্ষে যাবতীয় সাক্ষ্য ও দালিলিক প্রমাণ নিয়ে শুনানিতে হাজির হতে হবে। এর আগে এফ এফ ২নং যুদ্ধকালীন গ্রুপ কমান্ডার ও মোগরাপাড়া ইউনিয়নের ষোল্লপাড়া গ্রামের মৃত আবু আহম্মেদ মুন্সির ছেলে মো. শফিউর রহমান সোনারগাঁয়ের ১৬৯ জন ‘ভুয়া’ মুক্তিযোদ্ধার বিরুদ্ধে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের চেয়ারম্যানের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রাথমিকভাবে ১০ জনকে প্রমাণসহ হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে অভিযুক্ত কোন মুক্তিযোদ্ধা মারা গেলে তার পক্ষে পরিবারের লোকজনকে হাজির হতে হবে।

এই দশজন হলেন সোনারগাঁয়ের শম্ভুপুরা ইউনিয়নের রাম গোবিন্দেরগাঁও গ্রামের মৃত আলহাজ চাঁন মিয়ার ছেলে ও বিএনপির জোটের সাবেক মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম, সনমান্দি ইউনিয়নের চরভুলুয়া গ্রামের মৃত সামসুদ্দিন খন্দকারের ছেলে ও সোনারগাঁও থানা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু জাফর, একই ইউনিয়নের সোনারকান্দি গ্রামের মৃত বসিরউদ্দিন আহম্মদের ছেলে ও সনমান্দি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ইসহাক মিয়া, মোগরাপাড়া ইউনিয়নের নগর সাদিপুর গ্রামের মৃত আমির হোসেনের ছেলে কামাল হোসেন, বড় সাদিপুর গ্রামের মৃত মকবুল হোসেনের ছেলে মো. আলী আকবর, বড় নগর গ্রামের মৃত খয়রাত হোসেনের ছেলে হাজী ছাদেকুর রহমান, ইউসুফগঞ্জ গ্রামের মৃত এ এইচ মহিউদ্দিনের ছেলে মোহাম্মদ আলী রউফ, শম্ভুপুরা ইউনিয়নের চেলারচর গ্রামের মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে গোলাম হোসেন, সোনারগাঁ পৌরসভার অর্জন্দি গ্রামের মৃত তমিজউদ্দিন মোল্লার ছেলে নুর মোহাম্মদ মোল্লা এবং ছোট সাদিপুর গ্রামের মৃত তাহাজউদ্দিনের ছেলে মো. গিয়াসউদ্দিন।