দীর্ঘদিন ধরে ফুসফুসের জটিল রোগে আক্রান্ত ছিলেন। কৃত্রিমভাবে শ্বাস নিতে হত, হুইলচেয়ার ছাড়া হাঁটতে-চলতে পারতেন না। এমন পরিস্থিতিতে স্বেচ্ছামৃত্যু চেয়েছিলেন কলম্বিয়ার বাসিন্দা ভিক্টর এসকোবার। শেষ পর্যন্ত আদালতের অনুমতিতে আত্মীয়দের উপস্থিতিতে স্বেচ্ছামৃত্যু বরণ করেছেন তিনি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্যক্তিগত চিকিৎসকের প্রাণাঘাতী ইঞ্জেকশনে হাসি মুখে সকলকে বিদায় জানান ভিক্টর। মৃত্যুর দুই ঘণ্টা আগেও তৃপ্ত দেখাচ্ছিল ৬০ বছর বয়সী ভিক্টরকে।
স্বেচ্ছামৃত্যুর আগে নিজের সংক্ষিপ্ত বক্তব্যের একটি ভিডিও রেকর্ড করেন ভিক্টর। যা ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যমগুলোকে পাঠিয়ে দেন তিনি।
ওই ভিডিওতে ক্যাথলিক ভিক্টরকে বলতে শোনা যায়, একটু একটু করে সকলেরই একদিন ফেরার সময় আসবে। অতএব, আমি আজ বিদায় বলব না, বরং বলব, আবার দেখা হবে! তিলে তিলে আমরা সকলেই তো সৃষ্টিকর্তায় সমাপ্ত হবো একদিন।
ভিক্টরের আইনজীবী টুইট বার্তায় জানান, কলম্বিয়া ক্যালি শহরে চিকিৎসকদের উপস্থিতিতেই স্বেচ্ছামৃত্যু বরণ করেছেন ভিক্টর এসকোবার।
শেষ ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, আত্মীয়দের মাঝখানে হাসিমুখে ভিক্টর। তার মধ্যে কোনও রকম অস্থিরতা দেখা যায়নি। এরপরেই তাকে উপস্থিত চিকিৎসক প্রাণঘাতী ইঞ্জেকশন দেন।
১৯৯৭ সালে কলম্বিয়া সরকার বহিরাগত সাহায্যে (যেমন প্রাণঘাতী ইঞ্জেকশনে) স্বেচ্ছামৃত্যুর অধিকারকে বাতিল করেছিল। যদিও ২০২১ সালে ওই দেশের উচ্চ আদালত ‘মর্যাদাপূর্ণ মৃত্যুর অধিকারে’ অনুমোদন বসায়।
কলম্বিয়াই প্রথম দেশ, যারা একজন রোমান ক্যাথলিক খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীকে স্বেচ্ছামৃত্যুর অনুমতি দিল।

