প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের কারণে চীনে সাময়িকভাবে বন্ধ হয়েছে ভিয়েতনামের কৃষি রপ্তানি। এনিয়ে নতুন কোন সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত ভিয়েতনামি রপ্তানিকারকদের তাদের চীনা পার্টনাররা সমুদ্রপথে মালামাল না পাঠাতে আহ্বান জানিয়েছে।
এতে করে চীনা বন্দরে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এবং ভিয়েতনামের রপ্তানিকারকদের জন্য এবং কাস্টম ক্লিয়ারেন্স কঠিন হয়ে পড়েছে। এতে করে তারা বিভ্রান্তিতে পরেছে।
হুয়ান গোক নামে একজন কোম্পানির পরিচালক, যার চীনা অংশীদারের সঙ্গে একটি চুক্তি রয়েছে। তিনি বলেন, তাদের আইটেমগুলি সরবরাহ করার আগে, তারা চীনা অংশীদারের কাছ থেকে বিজ্ঞপ্তি পেয়েছিল যে অনেকগুলো অনিবার্য কারণের কারণে আমদানি বন্ধ করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, চীনা সরকার ২০২২ সালে আমদানি বিধিনিষেধ কঠোর করবে এবং চীনের করোনার প্রতিরোধ নিয়মের অধীনে বিলম্বিত গতির কারণে দেশের বন্দরগুলি আটকে ছিল।
একই কোম্পানির মিষ্টি আলু প্রোডিসার এনহাত থান চীনের সঙ্গে প্রতি মাসে ৫০টি কন্টেইনারে থাই কাঁঠাল এবং মিষ্টি আলু পাঠানোর চুক্তি করেছে। এনিয়ে কর্পোরেশন এবং তার চীনা পার্টনার নির্ধারিত সময়ের আগে দশটি কন্টেইনার পাঠাতে সম্মত হয়েছে। কিন্তু শেষ মুহুর্তে গিয়ে তা আটকে যায়।
ভিয়েতনাম ফ্রুট অ্যান্ড ভেজিটেবল অ্যাসোসিয়েশনের মতে, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে চীনে সামুদ্রিক রপ্তানি অত্যন্ত মন্থর। অনেক অর্ডার এখনও সমুদ্রে, বন্দরে খালাসের অপেক্ষায় রয়েছে।
